হজ্ব ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম। প্রত্যেক সচ্ছল ব্যক্তির ওপর এটি ফরজ বা অবধারিত বিষয়। সামর্থ্য থাকার পর কোন মুসলমান যদি হজ্ব সম্পর্কে অবজ্ঞা প্রদর্শন করেন তাহলে প্রিয় নবীজী (স.)-এর হাদীস অনুযায়ী মুসলমানের পরিবর্তে ইহুদী কিংবা নাছারা হয়ে তার মৃত্যুবরণ করার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। সেই জন্য ধনবান মুসলমানদের কর্তব্য হলো যখনই হজ্ব ফরজ হবে তখনই তা আদায় করার জন্য নিয়ত করা।
আল্লাহর পবিত্র ঘরের মেহমান সম্মানিত হজ্ব যাত্রীদের ছালাম ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। আপনারা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার ফরজ নির্দেশ পালনার্থে, তাঁর ভালোবাসার আকর্ষণে মাতোয়ারা হয়ে, তাঁর প্রেমে মশগুল হয়ে ও তাঁর পবিত্র ঘরের হজ্ব সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হচ্ছেন। এই সংখ্যাটি হতে আপনারা হজ্ব বিষয়ে একটি পূর্নাঙ্গ জ্ঞান লাভে ধন্য হবেন। এটা আপনাদের হজ্বকার্যক্রম বিশুদ্ধরূপে সম্পন্ন করার জন্য সহায়ক গাইড হিসেবে কাজ করবে। আর হজ্বের দিনগুলিতে সর্বক্ষণ আপনাদের সঙ্গে থাকলে সচরাচর ভুলভ্রান্তি হতে মুক্ত থাকবেন, ইন্শা-আল্লাহ।
হজ্ব উপলক্ষ্যে মুসলিম বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশ হতে মুসলমানগণ অগণিত নবী রসূলসহ আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ভুমি মক্কা মুকাররমা ও মদীনা মনোয়ারা যাত্রা করে থাকেন। বাংলাদেশ থেকেও প্রত্যেক বছর বিপুল পরিমাণ মুসলমান হজ্ব পালনার্থে গমন করে থাকেন। এবার বাংলাদেশ থেকে গাইডসহ ৯০ হাজার দু’জন ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ্ব পালনার্থে সৌদি আরব যাচ্ছেন। গতকাল ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হজ্বযাত্রীদের দোয়া মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়ে হজ্ব কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন এবং প্রথম ফ্লাইট পৌনে ২টায় ৫৮০ জনসহ ৩টি ফ্লাইটে মোট ১ হাজার ৫৩৫ জন যাত্রী নিয়ে মক্কা মুকাররমা পৌঁছেছেন।
আমরা চাই বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল হজ্বযাত্রী সুষ্ঠু সুন্দরভাবে মক্কা মুকাররমায় পৌঁছান এবং মকবুল হজ্ব সম্পন্ন করে নিষ্পাপ অবস্থায় নিশ্চিন্ত নিরাপদে নিজ নিজ গৃহে ফিরে আসুন।
