এবারকার হজ্ব ফ্লাইট নিয়ে হজ্ব অফিসের সাথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক ধরনের টানাপড়েন শুরু হয়েছে। গতকাল রবিবার বিমান কর্তৃপক্ষ হজ্ব অফিসকে বলেছে, তাদের ভাড়া করা কাবো উড়োজাহাজ আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে হজ্ব যাত্রী পরিবহন শুরু করতে পারবে। তবে বিমানের কথায় হজ্ব অফিস নিশ্চিত হতে পারছে না।
এদিকে হজ্ব ফ্লাইট শুরুর আগে বিমান বলেছিলো প্রতিদিন তাদের দুইটি ফ্লাইটে ৫৮২ জন করে হজ্ব যাত্রী সৌদি আরবে নিয়ে হাওয়া হবে; কিন্তু নাইজেরিয়ার ভাড়া করা কাবো উড়োজাহাজ গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর ঢাকায় পৌঁছালেও হজ্ব যাত্রী পরিবহন করতে পারছে না। জেদ্দা বিমানবন্দরে অবতরণের জন্য সৌদি আরবের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে কাবো নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিতে ব্যর্থ হওয়ায় এ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।
হজ্ব অফিসের পরিচালক বজলুল হক বিশ্বাস জানান, বিমান কর্তৃপক্ষ গতকাল এ নিশ্চয়তা দিয়েছে যে, আজ সোমবার থেকে দুইটি ডিসি-১০ এবং একটি ৭৭৭ উড়োজাহাজে করে হজ্ব যাত্রী পরিবহন করা শুরু করবে। বিমানের কথা অনুযায়ী আজ থেকে তিনটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করলে চলতি সপ্তাহেই জটিলতার অবসান ঘটবে। বিমানের প্রতিটি ফ্লাইটে ১৬৩ জন করে কম হজ্ব যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। একমাত্র কাবো জটিলতায় গত শনিবার উদ্বোধনী দিনের তৃতীয় ফ্লাইটটি রাতের পরিবর্তে গতকাল সকালে ৪১৯ হজ্ব যাত্রী নিয়ে জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। গতকালই মধ্যরাতের আগে বিমানের আরেকটি ফ্লাইট ৩১৪ হজ্ব যাত্রী নিয়ে জেদ্দা যাওয়ার কথা।
সৌদি এয়ারলাইন্স গতকাল তাদের নিয়মিত ফ্লাইট ৪১২ হজ্ব যাত্রীকে জেদ্দায় পৌঁছে দিয়েছে। সৌদি এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ হজ্ব অফিসকে জানিয়েছে যে, তারা আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে প্রতিদিন তিনটি করে হজ্ব ফ্লাইট পরিচালনা করবে। হজ্ব অফিস আরো জানায়, বিমানের প্রতিশ্রুত আজ থেকে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা এবং আগামীকাল থেকে সৌদি এয়ারলাইন্সের তিনটি হজ্ব ফ্লাইট শুরু হলে পরিস্থিতি কয়েকদিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
