শিশুদের শাস্তি নয় প্রয়োজন সোহাগ

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:২২
স্কুলে বা বাড়িতে শিশু-কিশোরদের অমনযোগ ও অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের জন্য শাসন করতে গিয়ে শাস্তি প্রদান বা গালমন্দ করা উচিত নয়। বরং সোহাগ ও নৈতিকতা শিক্ষা দেয়া গেলে কোমলমতি শিশুদের আচরণ ও মনযোগের উন্নতি হয়। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক ও অভিভাবকদের আরও যত্নশীল হওয়া উচিত। এমন অভিমত দিয়েছেন রয়েল অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অব ফিজিশিয়ানস-এর শিশু বিশেষজ্ঞগণ। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, এখনও অস্ট্রেলিয়ায় ৬৯ শতাংশ পিতা-মাতাগণ তাদের শিশুদের নানা কারণে শাস্তি দেন। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন বিশ্বের অন্তত ৩৩ দেশ শিশুদের শাস্তি প্রদানের বিরোধী নীতি নির্ধারণ করেছে এবং এতে সুফল পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞগণ এখন শিশুদের প্রতি রূঢ় আচরণের পরিবর্তে তাদের অপরাধ প্রবণতা রোধে কার্যকর সহনশীল পদক্ষেপ অনুসরণ করা উচিত বলে মনে করেন। এ ব্যাপারে গ্রীফিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক শিশু বিশেষজ্ঞ ড: সুজান মলোন-এর অভিমত: শিশুদের শাসন করতে গিয়ে শাস্তি দেয়া হলে তাদের দীর্ঘ মেয়াদী মানসিক ও আচরণগত সমস্যা তৈরি হতে পারে। এ ব্যাপারে মনোবিজ্ঞানী এনড্রিউ গ্রিনফিল্ড মনে করেন শিশুদের আঘাত করলে তারাও অন্যদের আঘাত করতে উদ্বুদ্ধ হয়। শারীরিক নির্যাতন আচরণ পরিবর্তনে সহায়ক নয়, এটা সকলকে বুঝতে হবে। আর কোমলমতি শিশুদের প্রতি সহনশীল আচরণের ক্ষেত্রে সকলকে সহানুভূতিশীল হতে হবে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের ভূমিকা এখানে সবচাইতে বেশি।