দেওয়ানগঞ্জ জিলবাংলা চিনি কল ১৯৫৮ইং সালে প্র্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে মিলটি অগ্রযাত্রা শুরু করেছে। বর্তমানে মিলের কর্মরত কর্মকর্তার রয়েছেন ৪৯জন,স্থায়ী শ্রমিক কর্মচারীর ৩৮৮জন এবং মৌসুমী শ্রমিক রয়েছে আরো ১৪০ জন। সর্বমোট ৫শ ৭৭ জন কর্মকর্তা,কর্মচারী, শ্রমিক কাজ করে আসছেন।মিলে আখ চাষীর সংখ্যা ১৬ হাজার। আখ চাষের যোগ্য আবাদী জমির পরিমান প্রায় ২৫হাজার একর। মিলের ২৯টি আখ ক্রয় কেন্দ্র রয়েছে। মিলের আখ মাড়াই ক্ষমতা ১ হাজার ১৬ মেঃটন এবং চিনি উত্পাদন ক্ষমতা প্রায় ১০হাজার ১শ ৫০ মেঃ টন রয়েছে। এক সময় মিল এলাকায় প্রচুর পরিমান আখ চাষ হতো কিন্তু কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী মিল কর্তৃপক্ষ কোল্ডষ্টোরেজের অভাবে আখ গ্রহণ করতে পারেনি। ফলে কৃষকের উত্পাদিত আখ চাষ করে মিলে বিক্রি পর্যন্ত প্রায় দেড় বত্সর সময় লাগতো । একারনে আখচাষীরা আখচাসের আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। আখ চাষের মাত্রাতিরিক্ত কমে যাওয়ার কারনে বর্তমানে মিল ৩ থেকে ৪ মাস চিনি উত্পাদন সচল থাকে। গত বত্সর সারা দেশের অন্যান্য মিলের তুলনায় জিলবাংলা সুগার মিলের চিনি উত্পাদন লক্ষ্যমাত্র সবচেয়ে বেশী রয়েছে। এ ব্যপারে মিলেরে ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম হাবিবুর রহমান খান বলেন পুরাতন যন্ত্রপাতি, আধুনিকায়ন রিফাইনারী সিষ্টেমসহ বিএমআরই করতে হবে। অন্যথ্যায় কমবেশীে লোকসান হবেই।
