বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ট্রলারের লাইসেন্স প্রদানের জন্য আবেদনপত্র আহবানের কার্যক্রম তিন মাস স্থগিত করে নতুন লাইসেন্স প্রদান না করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই বিজ্ঞপ্তি প্রদান কেন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি জাফর আহমেদকে নিয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গত ৩ সেপ্টেম্বর এই আদেশ দেন।
গত ৩০ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ট্রলারের লাইসেন্স প্রদানের আবেদনপত্র আহবান করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন বেসরকারি সংস্থা বেরিল হেলথ এডুকেশন অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশন। আবেদনে বলা হয়, বর্তমান সরকার ২০১১ সালে ৩৪টি ট্রলারের লাইসেন্সের অনুমতি দেয়। এর বিপরীতে মাত্র ৬টি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিয়োজিত। বাকি ২৮টি ট্রলার এখনো দেশে ও বিদেশে নির্মাণাধীন। এর মধ্যে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নতুন আরো ২৫টি ট্রলারের লাইসেন্স দেয়ার ঘোষণা দেয় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
