ভাবীর অনৈতিক কাণ্ড দেখায় কিশোরীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫২
ভাবীকে তার প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার জের ধরে ধর্ষণের শিকার হয়ে অবশেষ প্রাণ দিতে হল এক কিশোরীকে। তার নাম কোহিনূর আক্তার (১২)। মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ সার্ভিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিত্সকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় কিশোরীর ভাই পুলিশ কনস্টেবল সোলাইমান খান তার স্ত্রীকে পিটুনি দিয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। মঙ্গলবার খিলগাঁও নন্দীপাড়ার বড় বটতলায় এ ঘটনা ঘটে। ওসিসিতে চিকিত্সাধীন অবস্থায় কোহিনূর আক্তার হাসপাতালের ক্যাম্প পুলিশকে জানান, দুইদিন আগে তার ভাই রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে ডিউটির কারণে বাসায় ফেরেননি। ঐ সময়ে সে তার ভাবী বৃষ্টিকে স্থানীয় নাজমুল নামক এক যুবকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে। সে কারণে সোমবার রাতে ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে বৃষ্টি তাকে কৌশলে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাওয়ায়। এরপর ভাবীর সহায়তায় তার প্রেমিক কোহিনূরকে ধর্ষণ করে। গতকাল ভোরে ডিউটি শেষে ঐ কনস্টেবল বাসায় গিয়ে তার বোনকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। ওসিসি’র চিকিত্সকরা জানান, বিকাল ৫টার দিকে মেয়েটি মারা গেছে। এদিকে ভোরে পুলিশ কনস্টেবল তার বোনকে হাসপাতালে ভর্তির পর বাসায় গিয়ে স্ত্রী বৃষ্টিকে মারধর করে হাসপাতালে ভর্তি করে। নিহতের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায়। গত কয়েকদিন আগে কোহিনূর তার ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে আসে। খিলগাঁও থানার ওসি জানান, ঘটনার পর নাজমুলকে আটকের চেষ্টা চলছে।