আদালতের নির্দেশনা পেয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন করার কথা সেদিনই সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তারা। কিন্তু এর মধ্যে মাসাধিককাল পার হয়ে গেলেও নির্বাচনের ব্যাপারে পরিষ্কার কোনো অগ্রগতি নেই। এ ব্যাপারে বিসিবির পক্ষ থেকে প্রায়শ যুক্তি দেয়া হচ্ছে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
অবশেষে গতকাল অন্তত গুঞ্জন আকারে জানা গেল যে, বিসিবি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করে ফেলেছে এনএসসি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান, যুব ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার গতকাল এই নিয়োগ অনুমোদন করেছেন বলেও জানা গেছে। যদিও বিসিবি বা এনএসসির দায়িত্বপূর্ণ কোনো সূত্র এই খবর নিশ্চিত করেনি। তবে এনএসসির একটি অসমর্থিত সূত্র জানিয়েছে যে, বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমাদুল হককে নির্বাচন কমিশনার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক ও সহকারী ক্রীড়া পরিচালককে যথাক্রমে রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়ার খবরও শোনা গেল।
এদিকে নির্বাচনের ব্যাপারে বিসিবির সবচেয়ে বড় যে করণীয়, কাউন্সিলরদের তালিকা চেয়ে পাঠানো, সে ব্যাপারে গতকাল পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি নেই। ইতিমধ্যে সভাপতির দেয়া শেষ ‘দিন সাতেক’ সময়ও শেষের পথে। বিসিবির একটি সূত্র বললো, এই সপ্তাহের বাকী দুই কর্মদিবসের মধ্যে কাউন্সিলর চেয়ে চিঠি দেয়া হবে।
