কেমন যাচ্ছে আপনার সময়টা?
সব সময়ই আমার জন্য পজেটিভ। কেননা আমি সময়ের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিই। সময়ই মানুষকে বলে দেয়, কোন দিকে যেতে হবে। আমি জীবনের একটি মুহূর্তকেও অযথা নষ্ট করতে চাই না, আমি বরাবরই সময়কে যথার্থভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করি।
বর্তমানে ব্যস্ততা কী নিয়ে?
কাজ নিয়ে কখনও আমার মাঝে কোনো অস্থিরতা দেখা যায়নি। আমি কখনও এমনটি চাইনি যে, আমাকে প্রতি বছরই একটি করে অ্যালবাম করতে হবে। আমি আসলে নিজেকে দেখতে চেয়েছি ভালো কাজের একজন কণ্ঠশিল্পী হিসেবে। আর বর্তমানে কাজের ব্যস্ততা একটু বেশি বলা যায়।
আপনি তো রাজনীতিতে যোগ দিলেন। হঠাত্ এ রকম ইচ্ছার কারণ কী?
আসলে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সাথে জড়িত আছি জন্মলগ্ন থেকেই। তখন থেকেই দলের জন্য পরোক্ষভাবে কাজ করে আসছি। বর্তমানে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করতে চাই। এতদিন একজন শিল্পী হিসেবে কাজ করেছি দেশের জন্য মানুষের জন্য। এখন বেশি করে মানুষের অধিকারের জন্য কাজ করতে চাই।
রাজনীতি নিয়ে আপনার ভাবনা কেমন?
দেখুন, দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সাথে কাজ করছি। ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। বর্তমানে গণমানুষের নেত্রী খালেদা জিয়াও আমাকে খুব স্নেহ করেন। তিনি চাইলে এবং আমার এলাকার মানুষ চাইলে আমি আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারি। আসলে এলাকার মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে চাই।
আপনার নাগরিক আনন্দ-বেদনা কতটুকু?
নাগরিক আনন্দ খুঁজে নিতে হয়। তবে নাগরিক বেদনা খুঁজে নেওয়া লাগে না, তা স্বাভাবিকভাবেই চলে আসছে। দেশের নাগরিক হিসেবে অবশ্যই দেশের কাছে আমার কৃতজ্ঞতা ও দায়বদ্ধতা আছে। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও আমাদের দেশ কিন্তু ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে উন্নতির দিকে। কারও জন্য অপেক্ষা না করে নিজেরা নিজেদের দায়িত্ব যদি সত্ ও সঠিকভাবে পালন করি তাহলে সমাজে কোনো সমস্যাই থাকবে না। সবশেষে আমার দেশকে আমি একটি দুর্নীতিমুক্ত দেশ হিসেবে দেখতে চাই।
