শেয়ারবাজারের লেনদেনে স্বল্প মূলধনী কোম্পানির প্রভাব

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:২৬
গতকাল বুধবার শেয়ারবাজারের লেনদেনে স্বল্প ও ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলোর অবদান বেড়েছে। এ কোম্পানিগুলোর বেশিরভাগের দাম বাড়লেও বড় মূলধনী কোম্পানির দর পতনের ফলে দিনশেষে সূচক প্রায় অপরিবর্তনীয় রয়ে গেছে। ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ৫৯ শতাংশ। স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আর বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর কমেছে ০.৫৫ শতাংশ। বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম হারিয়েছে গ্রামীণ ফোন, স্কয়ার ফার্মা, আইসিবি এবং বিএসসিএল। এদিকে গতকালও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে বস্ত্রখাত ঘিরে। এ খাতে লেনদেন হয়েছে মোট লেনদেনের প্রায় ১৭ শতাংশ। এরপরই রয়েছে ফার্মাসিউটিক্যালস ও জ্বালানি খাতের অবদান। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৪৬ কোটি ৫৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৩০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯৩টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫৫টির, কমেছে ১১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের। স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগ পৃথককরণের (ডিমিউচুয়ালাইজেশন) স্কিম অনুমোদনের পূর্বে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে বৈঠকে বসার জন্য তলব করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি চলতি মাসেই স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা বিভাগকে আলাদা করার স্কিম অনুমোদন করতে চাচ্ছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ডিএসই ও সিএসই’র সঙ্গে বৈঠক করবে বিএসইসি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকের আয়োজন করেছে বিএসইসি। গত ২৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচ্যূয়ালাইজশন আইন-২০১৩ পাস হয়। এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশের দিন থেকে ৩ মাসের মধ্যে ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিম তৈরি করে তা অনুমোদনের জন্য বিএসইসিতে পাঠাতে হবে। যা ইতিমধ্যে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ সম্পন্ন করেছে। পরবর্তীতে এ স্কিম যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন এবং পরিমার্জন করে পরবর্তী ২ মাসের মধ্যে তা অনুমোদন দেবে বিএসইসি। তবে প্রয়োজনে বিএসইসি অতিরিক্ত এক মাস সময় নিতে পারবে।