সংগতি অসংগতির দিনলিপি

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৯
তোমাকে সময় দেব, দেব না সময়ের অবসর; আমাকে দিয়েছ পারাপার, গহন তিমির, বজ্রপোড়া মেঘেদের চলাচল। পারাপারে ভেঙে যায় ঊর্মিদের আনন্দবিহার; তীর খোঁজা চোখ কখনো দেখেছ তুমি? সকলেই কমবেশি ভাসমান, একাকী নাবিক। বলেছিলে, ঘড়ি ছাড়া দেখা হোক আমাদের; তুমি যত্নে পরেছিলে রাত্রি আর দিন, চলমানতার উদারগভীরে হেঁটে সাবলীল চলে গেছে লালনীল যুবকযুবতী। এইখান থেকে উঠে গেছে খেয়াঘাট, এইখানে ঘুমহীন শ্রীপুর স্টেশন; চাঁদ উঠেছিল মহাস্থানগড়ের অদূরে তুমি ওইখানে খুলেছিলে দিন, প্রথম স্তনের নারী কবিতার ছবি আর ব্যথা-আনন্দের ঋণ, অতলে দেখেছি আমি রূপের উদয়; ঘাসের ভেতর জলবায়ু ছিল দ্রাঘিমাচঞ্চল। প্রেম, কখনো হঠাত্ রৌদ্রজ্বলা হেম; ভালো লেগেছিল মুগ্ধ বাহু, সংহতির সংগীত, ঋতুদের অবহেলা বলেছিল : কী উজ্জ্বল সংবিত্! সে আমার পাশে কিন্তু সঙ্গে নয়, কেন মনে হলো? পাশাপাশি যাই, শুধু যাই; কোন পথ শেষ হলে বলা যায়, পড়শি আমার, সকল অচেনা পথ আমাদের; চলো যাই। অন্ধকারে গড়ে তুলি মুখ, কেবল অপেক্ষা শিখি; একজন দাঁড়িয়ে রাস্তায়, শুধায় ভোর-জাগা স্বরে : কোন প্রহরে পাখিরা গান গায়? ছায়া পুড়ে যেতে যেতে যাচ্ছে খুঁজিতে উত্তর। তুমি নেই, শুরু হলো নদী হারাবার যুগ; মহেঞ্জোদারোর ঘাস উঠোনে পৈঠায়। স্মৃতিসত্তা খুলে ওইসব বহতাকে আমি বলিনি বিদায়। দূরত্বের ছেঁড়াগুলি জোড়া দাও, অনেক চুম্বন, দেবী, রয়ে গেছে বাকি। হে জয়, হে ক্ষতি বেঁধেছিলে ঘর এক বাক্যতায়।