নাট্যপ্রেমী মানুষের উচ্ছল উপস্থিতি আর বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে বুধবার পর্দা উঠেছে গঙ্গা-যমুনা নাট্যোত্সবের। ভারত ও বাংলাদেশের ১৮টি দলের ১৮টি নাটক নিয়ে শিল্পকলা একাডেমীর তিনটি মঞ্চে ছয় দিনের এ উত্সব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিদিন তিনটি করে ১৮টি নাটকের মঞ্চায়নের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে শুরু হয় এই উত্সব। উত্সবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের ১৬টি ও ভারতের দুইটি নাট্যদল।
গঙ্গা-যমুনা নাট্যোত্সব পর্ষদ বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তন, পরীক্ষণ থিয়েটার হল এবং স্টুডিও থিয়েটার হলে একইসাথে চলবে এ নাট্যোত্সব। জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তনে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে নাট্যোত্সবের উদ্বোধন করেন লেখক সৈয়দ শামসুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি সচিব ড. রনজিত্ কুমার বিশ্বাস, নাট্যজন মামুনুর রশীদ, ভারতের নাট্যদল অনীক (কলকাতা) এর সম্পাদক অমলেশ চক্রবর্তী এবং বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গঙ্গা-যমুনা নাট্যোত্সব পর্ষদের সদস্য সচিব আকতারুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন নাট্যোত্সব পর্ষদের আহ্বায়ক গোলাম কুদ্দুছ। উদ্বোধনী সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তনে নাট্যকেন্দ্র পরিবেশন করে ‘দুই যে ছিল এক চাকর’, পরীক্ষণ থিয়েটার হলে প্রাঙ্গণেমোর মঞ্চস্থ করে ‘আওরঙ্গজেব’ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগ মঞ্চস্থ করে স্টুডিও হলে পরিবেশন করে ‘চাকা’।
নাট্যোত্সবের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তনে নাগরিক নাট্যাঙ্গন ‘পুসি বিড়াল ও একজন প্রাকৃতজন’, পরীক্ষণ থিয়েটার হলে ঢাকা পদাতিক ‘পাইচো চোরের কিচ্ছা’ এবং স্টুডিও থিয়েটার হলে নাগরিক নাট্যাঙ্গন মঞ্চস্থ করে ‘যুগলবন্দী’।
