ফরমালিন আমদানি হচ্ছে চাহিদার চারগুণ

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:১০
দেশে চাহিদার তুলনায় চার গুণ বেশি ফরমালিন আমদানি হচ্ছে। আর এই অতিরিক্ত ফরমালিন একশ্রেণির ব্যবসায়ী অতি মুনাফার আশায় খাদ্যে ব্যবহার করছে। এর ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে মানুষ। বুধবার রাজধানীতে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরে জানিয়েছে, দেশে কলায় ৯১, মালটায় ১০০, আপেলে ৫৯, আঙুরে ৯৫, খেজুরে ৭৭, টমেটোতে ৭৫, সেমাইয়ে ১০০, নুডলসে ৯০ ও আমের ক্ষেত্রে ৯৫ শতাংশ ফরমালিন ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব তুলে ধরে সাংবাদিক সম্মেলনে পবা’র সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সোবাহান জানান, শিল্প, শিক্ষা ও চিকিত্সা খাত মিলিয়ে প্রতি বছর ফরমালিনের চাহিদা রয়েছে ৫০ টন। কিন্তু আমদানি হচ্ছে ২শ ৫ টন। তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্যে বিষ মিশিয়ে যারা নিরবে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অনুর্ধ্ব পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রেখে যে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ মন্ত্রিসভা আনুমোদন করেছে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অসাধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থেই এ আইন অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ফরমালিনসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো খাবার খাওয়ার ফলে দেশে প্রায় ২ কোটি মানুষ ক্যান্সার, কিডনি সমস্যাসহ নানা রোগে ভুগছে। এছাড়া বাড়ছে মাতৃগর্ভে শিশু মৃত্যু, জন্ম নিচ্ছে বিকলাঙ্গ শিশু। এ অবস্থা চলতে থাকলে ধীরে ধীরে আমরা পঙ্গু জাতিতে পরিণত হবো।