২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

বাছাইপর্ব নয়, ‘প্রথম রাউন্ড’ খেলবে বাংলাদেশ

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:১১
বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ সরাসরি খেলতে পারছে না—এমন একটা গুঞ্জন রটে গিয়েছিল। আইসিসির সর্বশেষ বৈঠকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন যে ফরম্যাট অনুমোদিত হয়েছে, তা দেখেই এমন গুঞ্জনের অবতারণা। কিন্তু গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন এই ব্যাপারে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়ে বললেন, বাংলাদেশকে কোনো অর্থেই বাছাইপর্ব খেলতে হবে না। নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী বাছাইপর্ব পার হয়ে আসা ছয় দলের সঙ্গে ‘প্রথম রাউন্ড’ খেলবে বাংলাদেশ। এই প্রথম রাউন্ড থেকে দুটি দল যাবে দ্বিতীয় পর্বে; যেটিকে আসলে ‘সুপার টেন’ বলা চলে। এই দ্বিতীয় পর্বে সরাসরি যোগ হবে র্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট দল। আর এই র্যাংকিংয়ের পুরো ব্যাপারটি সিদ্ধান্ত নেওয়া গত ২০১২ সালের ৯ অক্টোবরে প্রকাশিত আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাংকিং অনুযায়ী। সে সময় বাংলাদেশ প্রথম আট দলের মধ্যে না থাকায় এই বিশ্বকাপে প্রথম পর্ব খেলেই ‘সুপার টেন’ খেলতে হবে বাংলাদেশকে। বাছাইপর্ব ও প্রথমপর্ব সংক্রান্ত এই বিভ্রান্তির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নিজামউদ্দিন চৌধুরী যুক্তি দিয়েই বোঝালেন, কেন বাংলাদেশের খেলা এই অংশটুকুকেও মূল টুর্নামেন্ট বলতে হবে, ‘প্রথমত এই প্রথম পর্বের খেলাটা হবে ১৬ মার্চ টুর্নামেন্ট উদ্বোধনের পর। টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনার পর নিশ্চয়ই আলাদা করে বাছাইপর্বের খেলা হবে না? আর বাছাই টুর্নামেন্ট বলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আলাদা একটি টুর্নামেন্ট এই বিশ্বকাপের জন্য হচ্ছে। সেখান থেকেই ৬ দল এসে যোগ দেবে মূল টুর্নামেন্টে। ফলে আরেকটি বাছাইপর্ব খেলার সুযোগটা কোথায়? সবশেষ কথা হল, বিশ্বকাপের জন্য ৩৯টি ম্যাচের সূচি তৈরি করা হয়েছে। এই প্রথম পর্বের ম্যাচগুলোকে মূল টুর্নামেন্টে বিবেচনা না করলে ৩৯ ম্যাচের সূচিও তো মেলানো সম্ভব না!’ উল্লেখ্য, আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ২০১৪ বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব থেকে আসা ৬টি দলের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের ৯ ও ১০ নম্বর দল, মানে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে খেলতে হবে এই প্রথম পর্বে। এখানে মোট ৮টি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করে ফেলা হবে। সেখান থেকে শীর্ষ দুটি দল যাবে ‘সুপার টেন’ ডাক নামের অংশে। কেন এই ফরম্যাট, তারও ব্যাখ্যা দিলেন সুজন, ‘এখানে বাণিজ্যিক বিভিন্ন বিষয় থাকে। সম্প্রচারকারীদের আগ্রহ, বিপণন; নানা বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আইসিসি এসব সিদ্ধান্ত নেয়। সেরকমই হয়েছে এ ক্ষেত্রে।’