দুমকি উপজেলার ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযুগেও এমপিওভুক্ত হয়নি। সরকারি অংশের বেতন ভাতাদি না পাওয়ার কারণে ভেঙ্গে পড়ছে শিক্ষা ব্যবস্থা । দুমকি নাসিমা কেরামত আলী মহিলা কলেজ পশ্চিম লেবুখালী দাখিল মাদ্রাসা বাশবুনিয়া মেহেরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় উত্তর শ্রীরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখা, দুমকি টেকনিক্যাল বিজনেজ ম্যানেজমেন্ট মহিলা কলেজের কৃষি ডিপ্লোমা শাখা, কদমতলা কলেজ, দক্ষিণবঙ্গ কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনিষ্টিটিউট জলিশা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক শাখা, আহম্মদ হারুন কারিগরি বি.এম কলেজ চরবয়েড়া মডেল দাখিল মাদ্রাসা, দক্ষিণ মুরাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, পাংগাশিয়া কলেজের শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ একযুগ পর্যন্ত অতিকষ্টে দিন কাটাচ্ছে। এ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের পরিবারের সন্তানদের অর্থের অভাবে পড়াশুনা সঠিকভাবে করাতে পারচ্ছে না বলে জানালেন পাংগাশিয়া কলেজের প্রভাষক আঃ রহিম। অন্য কোথাও গিয়ে চাকরি করবেন তার সুযোগ বয়সের কারণে হারিয়ে ফেলছেন। ১২টি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২০০ জন শিক্ষক-কর্মচারী বিনা বেতনে পরিশ্রম করে আসছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি অংশের বেতন ভাতাদি না পেয়ে সঠিকভাবে পাঠদান দিচ্ছে না বলে জানালেন পশ্চিম লেবুখালী মাদ্রাসার অভিভাবক ইউনুচ সিকদার ।
