ঠাকুরগাঁওয়ে জোট-মহাজোটে শরিক দলের সংখ্যা খুবই নগণ্য। জোট-মহাজোট শুধুই নামে। এখানে মূলত ১৪ দলীয় মহাজোটের পক্ষে আওয়ামী লীগ ও ১৮ দলীয় জোটের পক্ষে বিএনপি নেতৃত্ব দিছেন। আওয়ামী লীগের দলীয় অফিস থাকলেও সেখানে নেই কার্যক্রম, ওঠে না দলীয় ও জাতীয় পতাকা।
অন্য শরিক দলের মধ্যে জাতীয় পার্টির একটি সাইন বোর্ড রয়েছে নবনির্মিত আওয়ামী লীগ অফিসের পেছনে। নেতা-কর্মীদের তেমন কোনো দলীয় কার্যক্রম চোখে পড়ে না। জাসদ (ইনু) গ্রুপের হয়ে জেলা জাসদের দায়িত্ব পালন করছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড বিপুল।
নির্বাচন কমিশনের নিয়মানুযায়ী কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জেলায় দলীয় অফিস ও জেলা কমিটি থাকার কথা। গত সংসদ নির্বাচনের সময় বেশ কিছু দলের সাইনবোর্ড ও অফিস দেখা গেলেও এখন আর তা চোখে পড়ে না। ১৮ দলের বিএনপির মূল শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা শাখার নেতা-কর্মীদের আন্দোলন সংগ্রামে দেখা গেলেও সমমনা দলগুলোর নেতা-কর্মীদের বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে কখনো রাজপথে দেখা যায়নি। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক কুরাইশী জানান, ১৪ দলের মধ্যে জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাসদ (ইনু), বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি মহাজোটের হয়ে এক সঙ্গে কাজ করছে। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তৈমুর রহমান বলেন, ‘কেন্দ্রীয়ভাবে নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের ১৮ দলীয় জোট রয়েছে।
