উপজেলার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান সাময়িক বরখাস্ত ও পলাতক রয়েছে। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি ও গভর্নিং বডির সভাপতির সাথে অসত্ আচরণ, অর্থ আত্মসাত্সহ বিভিন্ন অনিয়ম এনে তাদের বরখাস্ত করেছে। এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী আত্মগোপন করে আছেন। এতে করে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীর পড়ালেখার বিঘ্ন ঘটছে। এনিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কথা বললে তিনি জানান, সরকার যখন শিক্ষা নিয়ে তত্পর তখন শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সাথে মনোমালিন্য থাকায় প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের মত ব্যবস্থা নেয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলো লেখাপড়াসহ সব ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে। এনিয়ে সকলকে আন্তরিক হওয়া দরকার।
