বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের সামনে গত ১৩ সেপ্টেম্বর অমিত হাসানের অশোভন ও বেপরোয়া আচরণের বিষয়টি বেশ আলোচনায় উঠে আসে। এই বিষয়ে গতকাল বিনোদন প্রতিদিন-এ ‘চিত্রনায়কের কাণ্ড!’ শিরোনামে একটি রিপোর্টও প্রকাশ হয়। এই রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতেই গতকাল অমিত হাসান ইত্তেফাককে বলেন, ‘আসলে ঘটনাটি অন্যরকম। সেদিন আমি ও আমার স্ত্রী বসুন্ধরা শপিং মলে প্রবেশ করছিলাম। তখন কয়েকজন তরুণ-তরুণী সাহায্যের আবেদনে দাঁড়িয়ে ছিল বাক্স নিয়ে। সেখানে আমি ১শত টাকা দিই। টাকা দিয়ে আমি হাঁটা শুরু করি, আমার স্ত্রী কিছু একটা শুনে দাঁড়িয়ে পড়ে। পাশ থেকে এক মেয়ে বাংলা চলচ্চিত্র ও বাংলা নায়ক নিয়ে কটূক্তি করছে। আমি খানিকটা এড়িয়ে গেলেও আমার স্ত্রী তাত্ক্ষণিকভাবে মেয়েটির সাথে এ নিয়ে কথা বলে। আমি পেছনে ফিরে গিয়ে আমার স্ত্রীকে আনতে গেলে দেখি, মেয়েটা আরও কিছু কটূক্তি করছে বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে। তার মন্তব্য শুনে তার পরিচয় জানতে চাইলে বলে, ‘আমি জার্নালিজমের স্টুডেন্ট। আমি ভালো করেই জানি এ দেশের চলচ্চিত্র ও শিল্পী সম্পর্কে।’ তখন আমি বলি, তুমি যেহেতু সাংবাদিকতা শিখছ, তাহলে তো তোমার অবশ্যই ভালো জানার কথা। নিজের শিল্পকে নিয়ে এভাবে কটাক্ষ না করলেই পার। এবং কথায় কথায় আরও বলি যে, বাংলাদেশের অনেক বড় বড় সাংবাদিক আমার বন্ধু। অনেকের সঙ্গেই নিয়মিত আড্ডা দিই। কই তারা তো কখনও এই ধরনের মন্তব্য করেনি। তুমি সাংবাদিকতা শিখছ, এই বিষয়গুলোতে সচেতনতা প্রয়োজন। পরবর্তীতে আমি ও আমার স্ত্রী চলে আসি। আর ফোন না ধরার যে বিষয়টি খবরে প্রকাশ পেয়েছে সে সম্পর্কে বলব, কিছুদিন আগে সিম পরিবর্তন করেছি, হয়তো সাংবাদিকরা আমার পুরোনো নম্বরে ফোন করেছে তাই আমাকে পায়নি। এ জন্য আমি দুঃখিত। এ দেশের শিল্পীরা জানেন, মানুষ তাদের কতটা ভালোবাসে। কেউ কেউ হয়তো কটূক্তি করে, যা সবসময়ই আমরা এড়িয়ে চলেছি। এ পর্যন্ত আমার কারও সাথে কোনোদিন দ্বন্দ্ব হয়নি। কোনো সাংবাদিকের সঙ্গেও না। তবে এই পাবলিক প্লেসে আমি কেন গণ্ডগোল করতে যাব। মিডিয়াতে আজ প্রায় ২২ বছর। এতটা সময়ে আমার কখনও এরকম ঘটনা ঘটেনি। কোনো সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করিনি বা পাইনি।’
