সিংড়ায় খাল খননে কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:২১
নাটোরের সিংড়া ও চলনবিলাঞ্চলে খাল খননে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে । খাল খননে এবার ৬৫হাজার টন খাদ্য শস্যের উত্পাদন বেড়েছে। পতিত জমি আবাদী হয়েছে। জলাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি খাল খননে মত্স্য উত্পাদনও বেড়েছে। সিংড়া উপজেলা সম্পূর্ণ কৃষি নির্ভর একটি এলাকা। ২৪ হাজার অগভীর নলকুপ দিয়ে সে কাজ চালায় কৃষক। কিন্তু ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ মৌসুমে প্রায় অর্ধেকের বেশি অগভীর নলকূপ পানি ওঠাতে অক্ষম হয়ে পড়ে, তখন দিশেহারা হয়ে পড়ে কৃষকেরা। বাধ্য হয়ে শুষ্ক মৌসুমে কৃষকেরা ৮/১০ ফুট মাটি গর্ত করে অগভীর নলকুপের সেচ যন্ত্রটি নিচে নামিয়ে পানি উত্তোলন করে জমিতে সেচ প্রদান করে। একদিকে জমিতে সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে সেচ প্রদান করতে পারে না কৃষকরা, অন্য দিকে ফলন কমে যায় ও ফসল উত্পাদন খরচ বৃদ্ধি পায় । বিএডিসি সিংড়া উপজেলার সহকারী প্রকৌশলী এস এম বজলুর রহমান জানান, দিন দিন ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় বিপাকে পড়ছে কৃষকগণ। চলনবিলের নদী-নালা, খাল-বিল ভরাট হয়ে যাওয়ায় চলনবিল তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে উপরের পানির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি গত ২ বছরে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার খাল খনন কাজ সম্পন্ন করেছে। বর্তমান অর্থ বছরেও সিংড়া উপজেলায় ১২ কিলোমিটার খাল খনন কাজ চলছে। খননকৃত খালগুলির পানি ব্যবহার করে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে সেচ প্রদান করা হচ্ছে এবং কৃষকেরা সুফলও ভোগ করছে।