ডেভিস কাপের ফাইনালে চেক প্রজাতন্ত্র মুখোমুখি হচ্ছে নোভাক জোকোভিচের দেশ সার্বিয়ার। আর চেক অধিনায়ক জারোস্লাভ নাভ্রাতিল মনে করছেন জোকোভিচকে হারানো কঠিন হলেও তার দেশের যথেষ্ট সুযোগ থাকবে শিরোপা জেতার। আগামী ১৫ থেকে ১৭ নভেম্বর সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে টেনিসের সবচেয়ে জনপ্রিয় দলগত টুর্নামেন্টটির চূড়ান্ত লড়াই।
ডেভিস কাপ ডট কমকে দেয়া সাক্ষাত্কারে নাভ্রাতিল বলেন, ‘কোন সন্দেহ নেই সার্বিয়া কঠিন এক প্রতিপক্ষ। সার্বিয়ার পুরো দলটাই দারুণ শক্তিশালী। আর যখন তারা দেশের মাটিতে খেলে তখন তো কথাই নেই। গত ২০১০ সালের অভিজ্ঞতা আমাদের সে কথাই বলে।’
টেনিসপ্রিয় সার্বিয়ানরাই এখানে বড় ভূমিকা পালন করে জানিয়ে এই ৫৬ বছর বয়সী বলেন, ‘(সেখানে জেতাটা) খুবই কঠিন কারণ তাদের বিশাল সংখ্যার একটি সমর্থক শ্রেণী আছে। যারা কিনা প্রতি মুহূর্তেই উত্সাহ যোগাতে পারে। তাছাড়া তারা মাত্র বছর কয়েক আগেই ডেভিস কাপ জিতেছে এবং আবারো শিরোপার স্বাদ পেতে তারা মুখিয়ে আছে।’
সবশেষে নাভ্রাতিল বললেন ‘জোকোভিচ ফ্যাক্টরে’র কথা। পুরুষ এককের এই নাম্বার ওয়ানকে হারানোটা যে মোটেই সহজ হবে না সেটা নিজেও বুঝতে পারছেন না নাভ্রাতিল। তবে বাকি ম্যাচগুলো জিতলে জোকোভিচকে না হারিয়েই শিরোপা জেতা সম্ভব বলে মনে করছেন তিনি। চেক টেনিসের এই সাবেক তারকা বলেন, ‘তাদের এমন একজন খেলোয়াড় আছেন যে কিনা এই মুহূর্তে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে আছে। আর টমাস (বার্ডিচ) এবং রাদেকের (স্তেপানেক) বিরুদ্ধে তার রেকর্ডও ভালো। তবে শেষ পর্যন্ত কি হয় সেটা বলা যায় না। আর আসল কথা হচ্ছে যে, নোভাক কেবল দুটি পয়েন্টই জিততে পারবে। কিন্তু শিরোপা জিততে অন্তত তিনটি পয়েন্ট দরকার।’
এই ম্যাচে কেউই ফেভারিট নয় বলে মনে করছেন সার্বিয়ান তারকা জ্যাঙ্কো টিপসেয়ারভিচও। সেমিফাইনালে কানাডার ভ্যাসেক পোসপিসিলকে হারিয়ে জয়সূচক পয়েন্ট ছিনিয়ে আনা জ্যাঙ্কো বলেন, ‘ফাইনালটা আসলে দুদলের জন্যই উন্মুক্ত।’
যুগোস্লাভিয়ার থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হবার পর এপর্যন্ত দুইবার মুখোমুখি হয়ে দুদেশই জিতেছে একটি করে ম্যাচ।
