ইউনিসেফের তিন শুভেচ্ছা দূতের শিশুদের জন্য কাজ করার প্রত্যয়

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫৬
বাংলাদেশের শিশুদের সহায়তা এবং তাদের অবস্থা উন্নয়নের জাদুকরী কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ইউনিসেফের জাতীয় শুভেচ্ছাদূত তিন তারকা। গতকাল নগরীর একটি হোটেলে অল-রাউন্ডার ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, জাদুকর জুয়েল আইচ এবং চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মৌসুমী ইউনিসেফের সাথে যোগ দিয়ে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এবং অন্যদেরও আহ্বান জানিয়েছেন। ইউনিসেফের জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে সাকিব আল হাসান, জুয়েল আইচ এবং মৌসুমী—শিশুশ্রম, জন্মনিবন্ধন, বাল্যবিয়ে, শিশুদের প্রতি সহিংসতা, শিশু ও মাতৃ স্বাস্থ্য, এইচআইভি/এইডস এবং বস্তিতে বসবাসরত শিশুদের সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ে প্রচার, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং উন্নয়নমুখী সামাজিক পরিবর্তনের জন্য কাজ করবেন। বাংলাদেশের ইউনিসেফ প্রতিনিধি প্যাসকেল ভিলনোভ বলেন, আমরা খুবই আনন্দিত যে সাকিব আল হাসান, জুয়েল আইচ এবং আরিফা জামান মৌসুমীর মত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে ইউনিসেফের জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পেয়েছি। তাদের জনপ্রিয়তা শুধু নয় শিশুদের অধিকার রক্ষায় তাদের অঙ্গীকার এবং সমাজে তাদের যে সম্মান তার ভিত্তিতেই তাদের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। নবনিযুক্ত এ তিনজন জাতীয় শুভেচ্ছাদূতের সকলেই ২০১০ সাল থেকে এইচআইভি/এইডস, অপুষ্টি এবং শিশু নির্যাতন বিষয়ে সক্রিয়ভাবে ইউনিসেফের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। ভিলনোভ আরো বলেন, আমরা দৃঢ় বিশ্বাসী যে তারা তাদের সম্মান, মেধা, এবং উপস্থিতির মাধ্যমে শক্তিশালী বার্তা প্রেরণে ইউনিসেফকে সহায়তা করবেন, যা বাংলাদেশের মানুষের হূদয় ও মন স্পর্শ করবে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ হলো শিশু, যাদের উপর পুরো দেশের ভবিষ্যত্ নির্ভরশীল। এদের মধ্যে প্রায় এক কোটি ৭০ লাখ শিশু দারিদ্র্য সীমার নীচে বাস করছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করার জন্য এ শিশুদের জীবনমান উন্নয়ন, জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে গণ্য করা উচিত।