সরকারি শূন্য পদ পৌনে তিন লাখ

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫৭
বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল প্রার্থীকে পদ স্বল্পতার কারণে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেয়া সম্ভব হয় না। আর মাদ্রাসা থেকে ফাজিল ও কামিল পাস শিক্ষার্থীদের চাকরির জন্য বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। এদিকে বর্তমানে সরকারি শূন্য পদের সংখ্যা হচ্ছে পৌনে তিন লাখ। সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ কার্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী সংসদকে এসব কথা জানান। অপু উকিলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী সরকারি পদের সংখ্যা ১৪ লাখ পাঁচ হাজার ৫২৪টি। এরমধ্যে দুই লাখ ৭৫ হাজার ৯৬৪টি পদ শূন্য রয়েছে। শূন্য পদ পূরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। বর্তমানে শূন্য পদগুলো সৃজন করায় তা পূরণের কার্যক্রম চলছে। মো. শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল প্রার্থীকে পদ স্বল্পতার কারণে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেয়া সম্ভব হয় না। বর্তমান সরকার নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা-২০১০ প্রণয়ন করেছে। আর এ বিধিমালা অনুযায়ী বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধাক্রম অনুযায়ী নন-ক্যাডারের শূন্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হচ্ছে। বেগম নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিসিএস পরীক্ষার জেনারেল ক্যাডারের প্রার্থীদের জন্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা এইচএসসি পাসের পর চার বছর মেয়াদী শিক্ষা সমাপনি ডিগ্রি অথবা সমমানের ডিগ্রি হতে হবে। তবে কোন প্রার্থীর শিক্ষা জীবনে একাধিক তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণী থাকলে তিনি যোগ্য বিবেচিত হবেন না। টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রথম শ্রেণীর মাস্টার্স অথবা দ্বিতীয় শ্রেণীর অনার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণীর মাস্টার্স ডিগ্রি হতে হবে। মাদ্রাসা বোর্ড থেকে নেয়া ডিগ্রি কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সমমান না থাকায় ফাজিল ও কামিল পাস শিক্ষার্থীদের বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। বেনজীর আহমেদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সাল থেকে চলতি বছরের এ পর্যন্ত ৩৪৫ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়। এরমধ্যে সচিব সাতজন, অতিরিক্ত সচিব ৪০ জন, যুগ্মসচিব ৯৯ জন, উপসচিব ১২৩ জন, সিনিয়র সহকারি সচিব ৬৭ জন এবং সহকারি সচিব নয়জন।