জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘন্টার হরতালের প্রথমদিনে শেয়ারবাজারের সূচক কিছুটা কমলেও লেনদেন বেড়েছে। আগের দিনের ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবারও বাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে পোশাক খাতের অবদান ছিল শীর্ষে। গতকাল বাজারের মোট লেনদেনের প্রায় ২৩ শতাংশ হয়েছে এ খাত ঘিরে। পোশাক খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের লেনদেন হয়েছে ১৪৬ কোটি টাকা। আর গোটা বাজারে লেনদেন হয়েছে ৬৫২ কোটি টাকা।
আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে ছোট ও ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর বৃদ্ধির পর গতকাল এ কোম্পানিগুলোর দর বেশ কমেছে। দর বেড়েছে বড় ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানিগুলোর। ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলোর দর কমেছে প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ। এদিকে গত ৪ দিন ধরে বাজারে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬শ’ কোটি টাকার উপরে। আর গত ২ দিন ধরে লেনদেনের ক্ষেত্রে সবচে বেশি অবদান রাখছে পোশাক খাত।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ১১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৫২ কোটি ৯৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২৪ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯৪টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৪টির, কমেছে ১৬১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের।
এদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ছয় প্রতিষ্ঠানের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির নেপথ্যে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য রয়েছে কিনা তা জানতে চেয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। প্রতিষ্ঠান ছয়টি হলো লিবরা ইনফিউশন, মুন্নু স্টাফালার্স, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, লিগাসি ফুটওয়ার, বিডি অটোকারস, এএমসিএল (প্রাণ)। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠান ছয়টির শেয়ার দর অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিএসই তা জানতে চায়। তবে এ কোম্পানিগুলোর শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
