সরকারি নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর গোলাম ফারুক তার সরকারি বাস ভবনের চত্বর টেণ্ডার ছাড়াই ৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দেয়াল নির্মাণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে কাজ শেষ করলেও বিল উত্তোলন নিয়ে বিপাকে রয়েছেন ঠিকাদার। তবে ইউপি চেয়ারম্যানদের জোরপূর্বক সিপিসি করে কাজের বিল উঠানোর চেষ্টা চলছে।
জানা যায়, জানুয়ারি ২০১৩ইং টেণ্ডার না করিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান তার সমর্থিত লোক দিয়ে ৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করেন সরকারি বাসভবনের দেয়াল। উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেনকে ঐ কাজের বিল পরিশোধ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। অবৈধভাবে দেয়াল নির্মাণ করায় বিল তিনি দিতে অস্বীকার করায় তাকে বদলি করানো হয়। এর পর ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে সিপিসি করে ১ লক্ষ টাকা উত্তোলন করেন। বাকি টাকা উত্তোলন করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কাজের বিল পাওয়ার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের সিপিসি করতে উপজেলা চেয়ারম্যানের সমর্থিত ঠিকাদাররা বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে বলে ইউপি চেয়ারম্যানদের অভিযোগ।
উপজেলা চেয়ারম্যানের সরকারি বাসভবনের দেয়াল নির্মাণের ঠিকাদার মোঃ মোস্তফা ঘরামী বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক নির্দেশ দিয়েছেন কাজ করার জন্য। টেণ্ডার হওয়ার কথা ছিল উপজেলা প্রকৌশলী বদলি হওয়ায় তা আর হয় নাই। বর্তমানে সিডিখান ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে সিপিসি করে ১ লক্ষ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
সিডিখান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া শিকদার বলেন, আমি উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবনের দেয়ালের সিপিসি হতে চাইনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ ফজলে আজিম জানান, উপজেলা চেয়ারম্যানের সরকারি বাসভবনের যতটুকু দেয়াল নির্মাণের কাজ করেছেন তার জন্য সিপিসির মাধ্যমে ২ লক্ষ টাকা পরিষদ করা হয়েছে।
