উপকূলের প্রায় ১০ লাখ মানুষ দুর্যোগ ঝুঁকিতে

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:০৯
মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চল লক্ষ্মীপুরে দুর্যোগ ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় ১০ লাখ মানুষ। ব্যবহার অনুপযোগী ও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা কমে যাওয়ায়, দুর্যোগে ঝুঁকির মাত্রা বেড়েছে অনেক বেশি। খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে যে কোন দুর্যোগ, জলোচ্ছাস ও ঘুর্নিঝড়ে বহু মানুষের প্রাণহানিসহ ব্যপক ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করছেন এ জেলার মানুষ। জেলা ত্রাণ ও পুণর্বাসন কার্যালয় সূত্র জানায়, যে কোন ধরনের ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস বা দুর্যোগে উপকূলবাসীর প্রাণহানি এড়াতে লক্ষ্মীপুর জেলায় সরকারীভাবে নির্মাণ করা হয়েছে ১০৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র বা সাইক্লোন সেন্টার। যার মধ্যে রামগতি উপজেলায় ৪৯ টি কমলনগরে ৩০টি, সদর উপজেলায় ১৩টি, রায়পুরে ১১টি ও রামগঞ্জে ২টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। এ গুলোর মধ্যে প্রায় ৯টি আশ্রয় কেন্দ্র ইতিমধ্যে মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে। আর অযত্ন -অবহেলায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে আরো ৬টি আশ্রয় কেন্দ্র। এছাড়া যে আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে তাতে প্রায় ২’শ থেকে ৩’শ লোকের স্থান হতে পারে। যা প্রয়োজনের তুলনায় একে বারে অপ্রতুল । রামগতি উপজেলার চরপোড়াগাছা ইউনিয়নের চরবাদাম গ্রামের হাজী এ গফুর উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন আশ্রয় কেন্দ্রটিতে গিয়ে দেখা গেছে ৩ তলা বিশিষ্ট ভবনের ইট বালু আর সিমেন্ট খসে পড়ছে। এলাকাবাসী জানান, অযত্ন আর অবহেলার কারণে দীর্ঘ ৬ থেকে ৭ বছর ধরে আশ্রয় কেন্দ্রটি এভাবে পড়ে আছে। যে কোন সময় ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন তারা। সরকারের কাছে তারা ঐ স্থানে আরেকটি আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন করার দাবি জানান।চর আলগী ইউনিয়নবাসী জানান, বন্যার সময় আশ্রয় কেন্দ্র্রে এসে ঠাই পাওয়া যায়না। তাছাড়া গরু ছাগল হাঁস মুরগি নিয়ে নানা কষ্টে জীবন বাচাঁতে হয় তাদের।