দেশের ৮০ভাগ সয়াবিন উত্পাদন হয় লক্ষ্মীপুরে

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:১৪
সয়াবিনের রাজধানী হিসেবে খ্যাত লক্ষ্মীপুর জেলায় সয়াবিন চাষাবাদ করে এঅঞ্চলের কৃষকরা তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছে। লক্ষ্মীপুর-সদর, রামগতি, কমলনগর ও রায়পুর উপজেলার চরাঞ্চলে যতদূর চোখ যায়- মাঠের পর মাঠ সয়াবিনের ক্ষেতে সবুজ হাতছানি দেয়। সংশ্লি¬ষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছর জেলায় প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সয়াবিনের লেনদেন হয়। এ জন্য কৃষকরা এটিকে স্থানীয়ভাবে ‘সোনার ফসল’ বলে থাকেন। সয়াবিন চাষাবাদ বদলে দিয়েছে, মেঘনার উপকূলীয় চরাচঞ্চল রায়পুরের হায়দরগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগরের আশপাশ এলাকার হাজার হাজার মানুষের জীবন মান। এ অঞ্চলের উত্পাদিত সয়াবিন কেনার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিষ্ঠিত সয়াবিন তেল ও পোল্ট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটে আসেন। জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দেশে উত্পাদিত সয়াবিনের মধ্যে ৮০ ভাগ উত্পাদন হয় লক্ষ্মীপুরে। গত বছর জেলায় ৩৯ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে সয়াবিন চাষাবাদ করা হলেও এ বছর চাষাবাদ হয়েছে ৪৪ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে। অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ দিনেও লক্ষ্মীপুর জেলায় সয়াবিন প্রক্রিয়াজাত করার কোনো কারখানা এখনও গড়ে ওঠেনি। কৃষকরা জানান- লক্ষ্মীপুরে সয়াবিনভিত্তিক শিল্প কারখানা স্থাপন করা হলে সয়াবিনের ন্যায্য দাম পাওয়ার পাশাপাশি বহু লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হতো। এ ব্যাপারে হায়দরগঞ্জ বাজারের সয়াবিন ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান মিন্টু জানান, প্রতি বছর তিনি সয়াবিন চাষিদের কাছ থেকে ৮ থেকে ১০ হাজার টন সয়াবিন সংগ্রহ করেন। যার বাজার মূল্য ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা।