কৃষককে লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে ভিজিডি, ভিজিএফ, টিআর ও ওএমএস-এ আলু বিতরণের দাবি জানিয়েছে, বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশন। রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি জানিয়ে এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মেজর (অব:) জসীম উদ্দীন বলেন, চলতি মৌসুমে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ৮৫ লাখ টন আলু উত্পাদন হয়েছে। এরমধ্যে ৩’শ ৭০টি হিমাগারে ৪২ লাখ টন খাবার আলু ও বীজ সংরক্ষণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে হিমাগারগুলো থেকে মাত্র ২০ শতাংশ আলু বাজারজাত করা সম্ভব হয়েছে। যেভাবে ধীরে ধীরে আলু বাজারজাত হচ্ছে তাতে ১৫ লাখ টন আলু অবিক্রীত অবস্থায় থেকে যাবে। ফলে কৃষকরা সর্বস্বান্ত হবে এবং আগামীতে আলু চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।
বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান বলেন, সরকারিভাবে ত্রাণকার্যে ভিজিডি-ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে চালের সাথে আনুপাতিক হারে আলু বিতরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে হিমাগারসমূহে সংরক্ষিত আলু যথাসময়ে ও সুষ্ঠুভাবে বাজারজাত করা সম্ভব হবে। এতে কৃষক তার কষ্টার্জিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আলুই একমাত্র নিরাপদ খাদ্য যাতে কোন ফরমালিন ব্যবহার করা হয় না। প্রয়োজনে নীতিমালা পরিবর্তন করে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে আলু দেয়ার পাশাপাশি দেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার, ভিডিপি, সকল শিল্প-কারখানা, হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আলু ও আলুর তৈরি খাদ্য সরবরাহের দাবি জানান।
