ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রেসিডেন্ট আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুদ মওকুফে পুনঃঅর্থায়নের ৩০০ কোটি টাকার তহবিল বরাদ্দের জন্য আইসিবির (ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) কাছে এখনো খুব একটা আবেদন আসেনি। এ অর্থায়নের সুবিধা পেতে বিনিয়োগকারীদের আবেদন করার আহবান জানিয়ে তনি বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ব্রোকারেজ হাউজগুলো আবেদন করলে আইসিবি অর্থ ছাড় করতে প্রস্তুত রয়েছে।
সোমবার ডিএসই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএসই’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্বপন কুমার বালা, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খান, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান খান এবং পরিচালক খুজিস্তা নূর-ই নাহরিনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ডিএসই প্রেসিডেন্ট বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ডিমিউচুয়্যালাইজেশন স্কিম চূড়ান্ত অনুমোদন দিবে। এ প্রেক্ষিতে ২৫ সেপ্টেম্বর ডিএসইর স্কিম অনুমোদনের বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসইর প্রস্তাবিত স্কিম ও বিএসইসির সুপারিশ পর্যালোচনা করে স্কিম চূড়ান্ত অনুমোদন করা হবে।
ডিএসই’র ভবন সম্পর্কে আহসানুল ইসলাম বলেন, ডিএসইর নিকুঞ্জ ভবনটি স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের মধ্যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এটা স্থায়ী কোন বরাদ্দ নয়। শুধু স্টক সংক্রান্ত ব্যবসা পরিচালনার সুবিধার্থেই তাদেরকে জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা অন্য কোন ব্যবসায় ব্যবহার করা যাবে না। ডিএসই প্রেসিডেন্ট বলেন, গত এক মাস ধরে বাজার সুস্থ আচরণ করছে। তবে সমপ্রতি স্বল্প মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম খুব বেশি বাড়তে দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে ডিএসই’র পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় মনিটরিং করে বিএসইসিকে অবহিত করা হবে। তবে ডিমিউচুয়্যালাইজেশন নিয়ে ব্যস্ততা বেশি থাকায় অন্য বিষয়গুলোতে যথাযথ নজর দেয়া সম্ভব হয়নি। আগামী মাস থেকে ডিএসই’র মনিটরিং ফের জোরদার করা হবে। প্রসঙ্গত, পুনঃঅর্থায়নের তহবিলের ৩০০ কোটি টাকা সরকার ইতিমধ্যে ছাড় করেছে।
