সুস্থ হয়ে উঠছে সেই আদুরী

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫৩
আগের থেকে কিছুটা সুস্থ আদুরী। ধীরে ধীরে সে অনেক কিছু বলতে পারছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর রবিবার অবচেতন অবস্থায় রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট বেড়িবাঁধ এলাকায় ডাস্টবিনের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয় আদুরীকে। বয়স আনুমানিক ১১ বছর। সে বলে, তার নাম আদুরী, তবে সে যে বাসায় কাজ করতো তারা তাকে মনিকা বলে ডাকতো। আদুরী জানায়, সে একটি বাসায় কাজ করত। কাজে ভুল হলেই তাকে মারধর করা হতো। খাবার দেয়া হতো না। তবে কোন্ এলাকায় কার বাসায় সে কাজ করত, তা বলতে পারছে না। ডাস্টবিনের পাশে গেল কীভাবে, তাও জানে না সে। গতকাল বুধবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ২০৪ নম্বর ওয়ার্ডের বারান্দায় চিকিত্সা চলছে আদুরীর। ছোট্ট শিশুটির শরীরে নতুন-পুরনো আঘাতের অসংখ্য চিহ্ন। পাঁজরের হাড়গুলো জেগে উঠেছে। যন্ত্রণাকাতর চোখে-মুখে শুধুই আতঙ্কের ছাপ। আদুরী জানিয়েছে, তার বাবার নাম মৃত আব্দুল খালেক মৃধা। আর মায়ের নাম সাফিয়া বেগম। তার বাড়ি পটুয়াখালী। তারা পাঁচভাই পাঁচবোন। ভাইদের নাম-সোহাগ, সোহেল, জুয়েল, পান্না ও বাকের। আর বোনরা হচ্ছেন— তানিয়া, মায়া, সনিয়া, মারুফা ও আদুরী। ডাক্তার বলেছেন, আদুরী ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে। গতকাল ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের এস আই হেলেনা বেগম তাকে দেখতে যান এবং তার খোঁজ-খবর নেয়। উল্লেখ্য গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ক্যান্টনমেন্ট বেড়িবাঁধ এলাকায় ডাস্টবিনের পাশে ময়লার স্তূপের ওপর থেকে আদুরীকে উদ্ধার করে লিলি আক্তার নামের একজন নারী।