ভুবনডাঙার জ্যোত্স্না

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৭:৫০
ভুবনডাঙার মাঠ থেকে ফুলডাঙা কত দূর? মন বলে জ্যোত্স্নাপ্লাবিত রাত্রিতে থেকে যাও আমি জানি তুমি নেই তাই আর কড়া নাড়িনি এই বাগানবিলাস, বুদ্ধ জুঁই, এই সোনাঝুরি সঙ্গীবিহীন এই রাত্রি তোমাকে দিক পাখির স্নিগ্ধ চোখ। আর্ত হাহাকারের জ্যোত্স্নায় নিঃশব্দে প্রণয়ের বৃত্ত তৈরি করুক নীরবতা হয়ে উঠুক সামর্থ্য এই আনন্দ দুঃখ জয় করুক আমি যে জ্যামিতিক রেখার জন্য বিলাপ করছি বৃষ্টিবিধৌত জ্যোত্স্নায় নিঃসঙ্গ জনবিরল ভুবনডাঙা মগ্নচৈতন্যে সবিতা হালদারকে ডাকুক কে সে সবিতা হালদার? তার কথা বলি— ধানের গন্ধ ছিল একদিন তার বুকে নীল সমুদ্রের ঢেউ ছিল দেহের কল্লোলে ভাটফুলের গন্ধে ভুরভুর করত সারা শরীর খাল-বিল-নদী উজিয়ে এলো শহরে ছেঁড়া ছায়ায় চঞ্চল নারীর সুখ বাজের আলোতে চকিতে মায়াবী মুখ ভুবনডাঙার লালমাটিতে পায়রার ওড়াউড়ি মাথার ওপরে গোল চাঁদ সোজা চলে না নেমে আসে, নামতে থাকে নিঝুম রাতে কে যেন রবীন্দ্র-গানে দুঃখ ভুলছে জ্যোত্স্নায় এ বৃক্ষ ও বৃক্ষের সঙ্গে কথা বলতে বলতে শব্দহীন থাকে আমি শুনতে থাকি যৌনতা তাড়িত ডাগর চোখের রাবীন্দ্রিক নারীর আর্ত হাহাকার আমার অস্তিত্ব থেকে এভিনিউ, উড়ালপুল, পার্ক, নবীন নারীর উদ্ধত বুক, চৌরঙ্গী উধাও ভুবনডাঙার জ্যোত্স্না নিজেরই ভিতর থেকে নারীর কথা বলছে, নিঃশব্দে