কোমর ব্যথার কারণ ও প্রতিকার

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৭:১৫
++কোমর ব্যথা যখন পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত চলে যায় তখন তাকে আমরা সায়াটিকা বলি। আসলে সায়াটিকা কোমর ব্যথারই সমপ্রসারিত রূপ। অস্টিওআথ্রাইটিস বা পিএলআইডি এর ফলে সায়াটিক স্নায়ু উত্পন্নকারি জালিকার গোড়ায় চাপ পড়লে এই স্নায়ুটিতে এক ধরনের প্রদাহ শুরু হয়। এই প্রদাহের ফলে ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে পারে। ব্যথা কোমর থেকে পায়ের পেছনের অংশ দিয়ে হাটু ও গোড়ালি পর্যন্ত চলে যেতে পারে। অনেকে পা চিবানো বা ঝিঁ ঝিঁ অনুভব করে থাকেন। অনেকে আবার কোমরের চেয়ে পায়েই বেশী ব্যথা অনুভব করেন। বিশ্রাম অবস্থায় ব্যথা কিছুটা কম থাকলেও দাঁড়িয়ে থাকলে বা হাঁটলে ব্যথা বৃদ্ধি পায়। ব্যথা বেশী তীব্র হলে রোগী শুয়ে থাকতে বা ঘুমাতে পারেন না। কি চিকিত্সা প্রয়োজন ব্যথা কমানোই মূল লক্ষ্য। এক্ষেত্রে ব্যথা নাশক ওষুধ ও ইলেকট্রো-থেরাপির সম্মিলিত চিকিত্সা ভালো কাজ করে। তীব্র ব্যথা নিয়ন্ত্রণে দিনে ৩/৪ বার ফিজিওথেরাপি দিতে হবে। কোমরের এমআরআই এর মাধ্যমে রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। ‘লালপতাকা’ উপসর্গ যেমন: পা অবশ হয়ে যাওয়া, প্রশ্রাব পায়খানা বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ থাকলে সার্জনের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। ফিজিওথেরাপি চিকিত্সা নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই একজন ফিজিওথোরাপি বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে প্রেসক্রিপশন করে নেবেন।