আবারও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতি হয়ে আসছেন এন শ্রীনিবাসন। গতকাল বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এ এই ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্তে এসেছে বোর্ড, কারণ সভাপতির পদের জন্য একমাত্র শ্রীনিবাসনকেই মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।
শ্রীনিবাসনের জামাতা গুরুনাথ মুয়াপ্পানের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার ও তার বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করেছে মুম্বাই পুলিশ। তাই ব্যাপক জনপ্রতিক্রিয়ার পরও আদালতের ক্লিয়ারেন্স দেয়ার প্রেক্ষিতে পুনরায় বোর্ড নির্বাচনে দাঁড়ানোর অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন শ্রীনিবাসন।
বোর্ড সভাপতি হওয়ার লড়াইয়ে এখন শ্রীনিবাসনের সামনে একটাই বাধা। বিহারের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আদিত্য ভার্মার দায়ের করা মামলা থেকে নিষ্পত্তি পেলেই কেবল তৃতীয় মেয়াদে বোর্ড সভাপতি হতে পারবেন শ্রীনিবাসন। বোর্ডের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার আসন পাওয়ার লড়াইয়ে শ্রীনিবাসন দক্ষিণের ছয়টি অঞ্চল থেকে সমর্থন পেয়েছেন। এছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় প্যাটেল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনুরাগ ঠাকুর সদস্য পদে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। কোষাধ্যক্ষ রবি সাওয়ান্তের স্থানে আসছেন শ্রীনিবাসের আরেক সমর্থক ও হরিয়ানা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অনিরুদ্ধ চৌধুরী। পশ্চিমাঞ্চলের সহ-সভাপতি হিসেবে সাওয়ান্তের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
সম্ভাব্য বোর্ড সদস্যরা হলেন এন শ্রীনিবাসন (সভাপতি), সঞ্জয় প্যাটেল (সাধারণ সম্পাদক), অনিরুদ্ধ চৌধুরী (কোষাধ্যক্ষ), অনুরাগ ঠাকুর (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), রবি সাওয়ান্ত (সহ-সভাপতি - পশ্চিমাঞ্চল), রাজীব শুকলা (সহ-সভাপতি - মধ্যাঞ্চল), এসপি বানসাল (সহ-সভাপতি - উত্তরাঞ্চল), শিবলাল যাদব (সহ-সভাপতি - দক্ষিণাঞ্চল), চিত্রক মিত্র (সহ-সভাপতি - পশ্চিমাঞ্চল)।
