গাইবান্ধায় প্রায় এক যুগ ধরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিভিন্ন জাতের কলা চাষ করা হয়। কিন্তু এখনও এ অঞ্চলে কলা বিক্রির নির্দিষ্ট কোন বিক্রয় কেন্দ বা হাট-বাজার গড়ে ওঠেনি। এ কারণে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গাইবান্ধা জেলার সীমানার দক্ষিণে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফাঁসিতলা থেকে উত্তরে সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট পর্যন্ত বিস্তৃত ৩২ কিলোমিটারের মধ্যে ১৮ কিলোমিটার জুড়ে বসে জমজমাট কলারহাট। ফলে ট্রাকে কলা লোড-আনলোড করায় অসহনীয় যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় কোন কোন স্থানে দু’টি ট্রাক বা বাস পাশাপাশি ওভারটেক করতেও পারে না। দুর্ভোগ পোহাতে হয় দূরপাল্লার বাসযাত্রী, কলা উত্পাদনকারী কৃষক ও ক্রেতাদের। এছাড়া ছোট-বড় দুর্ঘটনা তো লেগেই আছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে কলারহাট মহাসড়কের ধার থেকে উচ্ছেদ করে পৃথক জায়গায় বসানোর দাবি উঠলেও তা দীর্ঘ সময়ে কার্যকর করার কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্র জানায়, গাইবান্ধার ৬টি ইউনিয়ন গোবিন্দগঞ্জের দরবস্ত, গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভা, পলাশবাড়ীর বরিশাল, পলাশবাড়ী সদর, সাদুল্লাপুরের ইদিলপুর ও ধাপেরহাট এই মহাসড়কের সাথে সম্পর্কিত। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এই ইউনিয়নগুলোর মধ্যে মহেশপুর, কোমরপুর, জুনদহ ও পলাশবাড়ী এলাকায় বুধবার ও শনিবার, বকচর, কালিতলা, গোবিন্দগঞ্জে রবি ও বৃহস্পতিবার এবং ফাঁসিতলায় মহাসড়কের উপর শুক্র ও সোমবার কলারহাট বসে। ঢাকা, খুলনা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে এসে দিনভর কলা কেনেন। এ সময় ট্রাক বহরে ভরা থাকে মহাসড়কের ধার।
