পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিত্সা সেবা ব্যাহত

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০১৩, ১৯:২১
প্রয়োজনীয় সংখ্যক মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ, মনোচিকিত্সক, মনোবিদ, কর্মকতা-কর্মচারী সংকট,রোগীপ্রতি খাওয়া বাবদ অপ্রতুল বরাদ্দ,মানসিক রোগীর জন্য পুনর্বাসন ব্যবস্থার অভাব, ভবন সংস্কারে ঘাটতি সহ নানা কারণে দেশের মানসিক রোগের একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল পাবনা মানসিক হাসপাতালের চিকিত্সা সেবা মারাত্নক ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালের চিকিত্সক কর্মকর্তা কর্মচারী সহ মঞ্জুরীকৃত ৫০৪টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন ৩৬১ জন। ১৯৫৭ সালে শীতলাই হাউজে দেশের মানসিক রোগীদের চিকিত্সা ও পূর্ণবাসনের লক্ষ্যে শহরের পশ্চিমে হিমাইতপুর ইউনিয়নে পাবনা মানসিক হাসপাতাল ৬০ শয্যা নিয়ে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত হয়। শয্যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ শ‘তে। দেশের প্রথম এবং একমাত্র এই হাসপাতালে মানসিক রোগের চিকিত্সায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন শত শত রোগী চিকিত্সার জন্য আসে। আলাপকালে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা.দীপক কুমার দাশ জানান, আউটডোরে যেসব রোগী চিকিত্সা সেবা নিতে আসে তাদের অধিকাংশই ভর্তিযোগ্য। কিন্তু বেড স্বল্পতার কারনে তাদের ভর্তি করা সম্ভব হয়না। এর সাথে আছে চিকিত্সক- কর্মকর্তা, কর্মচারী সংকট।তিনি বলেন, হাসপাতালের চিকিত্সক কর্মকর্তা কর্মচারী সহ মঞ্জুরীকৃত ৫০৪টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন ৩৬১ জন। বাকী ১৪৩টি পদ দীর্ঘদিন যাবত শূণ্য রয়েছে। কাজ চালানোর জন্য হাসপাতাল সংলগ্ন পাবনা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক চিকিত্সকদের কাউকে কাউকে এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য অনুরোধ করা হয়। বদলি জনিত কারনে হাসপাতালের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো দীর্ঘদিন যাবত খালি পড়ে আছে। হাসপাতালের পরিচালক জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই পদগুলো খালি থাকায় চিকিত্সা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। আলাপকালে জানা গেছে, চিকিত্সকদের শূণ্যপদের অধিকাংশই বদলিজনিত কারনে খালি রয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক সহ অন্যরা জানান, বেশীরভাগ চিকিত্সক পাবনার চেয়ে ঢাকাকেই তাদের কর্মস্থল হিসাবে বেশি পছন্দ করায় এই শূণ্যতার সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে পাবনা মানসিক হাসপাতালের শূণ্যপদগুলোতে চিকিত্সক নিয়োগ দেওয়ার জন্য হাসপাতাল কতৃপক্ষ সরকারের সর্বোচ্চ মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন