পাঁচ প্রশ্ন

নাজনীন চুমকি

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০১৩, ১৭:৫৯
শুরু থেকেই বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করছেন নাজনীন চুমকি । প্রতিটি চরিত্রেই নিজেকে ভেঙে আবার গড়েছেন, এর মাধ্যমেই চরিত্রের সঠিক তত্ত্ব তুলে ধরেছেন দর্শকদের সামনে। নানা ধরনের চরিত্রে সহজেই নিজেকে মানিয়ে নেওয়া এই গুণী শিল্পী এবার মুখোমুখি হয়েছেন আমাদের পাঁচ প্রশ্নের। সাক্ষাত্কারটি নিয়েছেন রিয়াদ খন্দকার কেমন যাচ্ছে আপনার সময়টা? আমি বরাবই ভালো থাকি, আর সময় বরাবরই আমার জন্য ইটিবাচক থাকে। সময়ের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া মানুষের ধর্ম। সময়ই মানুষকে বলে দেয়, পথিক পথ ওদিকে নয় পথ এদিকে। সুতরাং যে অবস্থায়ই হোক বা যে কারণেই হোক নিজেকে মানিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। বর্তমানে ব্যস্ততা কী নিয়ে? আমি আসলে বরাবরই নিজেকে দেখতে চেয়েছি ভালো কাজের একজন অভিনেত্রী হিসেবে। বর্তমানে কাজের ব্যস্ততা একটু বেশি। একক ও ধারাবাহিকে কাজ করছি সমান গতিতে। এ ছাড়া নাটক লিখছি। একটি নাটক বানানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। কোন ধরনের নাটকে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন? অভিনয়ের সুযোগ রয়েছে এমন যেকোনো চরিত্রেই অভিনয় করতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কেননা দৈনন্দিনের আশপাশের চেনা সকল চরিত্রগুলোকেই পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে আমি পছন্দ করি। নাটকে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন দেখানো সম্পর্কে আপনার মতামত বিজ্ঞাপন ছাড়া কিছুই প্রচার সম্ভব না। নাটকের ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন বেশি হলেও আপত্তি নেই, কিন্তু মাঝে মাঝে দেখা যায় সিক্যুয়েন্সের মাঝখানেই বিজ্ঞাপন শুরু হয়ে যায় এতে করে ওই সিক্যুয়েন্সটি স্বকীয়তা হারায়। নাটকের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপনের একটি নির্দিষ্ট ম্যাপ থাকা উচিত। আপনার নাগরিক আনন্দ-বেদনা কতটুকু? বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে অবশ্যই আমার গর্বের জায়গাটি অনেক বিশাল। কেননা একাত্তরের ৯ মাস যুদ্ধ শেষে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। নিজেদের এই বীরত্বগাথা নিয়ে যেকোনো বাঙালির গর্বে বুক ফুলে উঠার কথা। কিন্তু আমার বেদনা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে। তারপর পরও দেশের নাগরিক হিসেবে অবশ্যই দেশের কাছে আমার কৃতজ্ঞতা ও দায়বদ্ধতা আছে। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে এমনটাই আশা করছি। সবাই নিজেদের দায়িত্ব যদি সত্ ও সঠিকভাবে পালন করি তাহলে সমাজে কোনো সমস্যাই থাকবে না।