বিভিন্ন স্থানে পাঁচ খুন

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০১৩, ২০:৫৪
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, নরসিংদীর মনোহরদী ও পলাশ এবং বরিশালের গৌরনদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক ঘটনায় পাঁচজন খুন হয়েছেন। -খবর ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের। মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) মির্জাপুর উপজেলার সিট মামুদপুর গ্রামে গত বুধবার ফরিদা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ফরিদার পিতা আব্দুল মান্নান বলেন, গত মঙ্গলবার সিদ্দিকুর রহমান তার স্ত্রী ফরিদাকে একটি হাঁস জবাই করতে বলেন। মাংস রান্না করতে দেরী হওয়ায় সিদ্দিকুর ক্ষিপ্ত হয়ে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে ফরিদাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। অবস্থা বেগতিক দেখে পরে তার মুখে বিষ ঢেলে আত্মহত্যা করেছে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। ফরিদা মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ব্যাপারে ফরিদার পিতা আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। মনোহরদী (নরসিংদী) নরসিংদীর মনোহরদীতে গত বুধবার সকালে বিল্লাল (১৪) নামে একজন নসিমন চালককে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সে শিবপুর উপজেলার কোদালিয়া গ্রামের হানিফের ছেলে। গত বুধবার ভোরে দুর্বৃত্তরা কলার ট্রিপ মারার জন্য বিল্লালকে মোবাইলে ফোন করে মনোহরদী উপজেলার ড্রেনেরঘাট এলাকায় নিয়ে আসে। পরে তাকে একটি কলা ক্ষেতে নিয়ে উপর্যুপুরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ব্যপারে নিহতের পিতা হানিফ বদী হয়ে মনোহরদী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এদিকে পলাশ থানায় ঢাকা-ঘোড়াশাল মহাসড়কে ভাগদী কালভার্ট এলাকা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে অজ্ঞাত পরিচয় (২৫) এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পলাশ থানা পুলিশ। লাশের পরনে সাদা রঙ্গের সেন্টু গেঞ্জির উপর গোলাপি রঙ্গের গেঞ্জি এবং খাকি প্যান্ট ছিল। লাশের গলায় রশি পেচানোর কালো দাগ এবং কনুইয়ের নিচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বানারীপাড়া (বরিশাল) বানারীপাড়া উপজেলার কাজলাহার গ্রামের সন্ধ্যা নদী থেকে গত বুধবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য লাশটি বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ব্যপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মগপাড়া গ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে আজিরুদ্দিন সরদার (৭০) নামে এক বৃদ্ধ খুন হয়েছেন। সে চরমপন্থী কটা বাহিনীর প্রধান আরশেদ আলী কটার পিতা। নিহতের পরিবার এ খুনের ঘটনায় প্রতিপক্ষকে দায়ী করেন। নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। দৌলতপুর থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।