বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় পৌঁনে এক লাখ শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অপরদিকে দু’টি স্তরে আরও ২২ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগ করা হবে। দু’দিন বিরতির পর গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সোয়া ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা. মো. আফসারুল আমিন সংসদকে এ তথ্য জানান। চলতি ১৯তম অধিবেশনের গতকাল ছিলো তৃতীয় বেসরকারি সদস্য দিবস। এদিকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল প্রথম কার্যদিবস থেকে অধিবেশন বর্জন করে আসছে।
মুহাম্মদ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭৩ হাজার ৩০৫ জন শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে তিন হাজার ৯০১ জন হচ্ছেন প্রধান শিক্ষক। সহকারি শিক্ষক ও শিক্ষিকা ৬৯ হাজার ৪০৪ জন। এদিকে সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরও ২২ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও সাত হাজার শিক্ষক নিয়োগের জন্য শীঘ্রই লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব: মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ জানান, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গত চার বছরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তিন হাজার ১৭২টি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে আরও ৩৭২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পরমাণু শক্তি কমিশন: জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান জানান, পরমাণু শক্তি কমিশনে বর্তমানে কর্মরত জনবলের সংখ্যা হচ্ছে এক হাজার ৯৩০ জন। গত অর্থ বছরের হিসাব অনুযায়ী কমিশনের জন্য সরকারের ব্যয় প্রায় ৯৭ কোটি আট লাখ টাকা।
