সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৩, ২০:৫৩
দুই নেত্রীর উচিত হবে দেশে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতির পথ তৈরি করে ১/১১-কে আসতে না দেয়া দেশের বর্তমান রাজনীতি নিয়ে একটা অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে টিভি চ্যানেলগুলোর টকশোতে যেমন বলা হচ্ছে, তেমনি পত্র-পত্রিকাতেও রাজনীতি-বিদগণ বক্তব্য রাখছেন। প্রতিদিনের এ আলোচনা বা খবর শুনলে মনে হয় বাংলাদেশ অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আসলে কি তাই। মোটেই না। যারা ১/১১’র কথা বলে মুখে ফেনা তুলছেন, আমি তাদের দলে নেই। আমাদের সমস্যা আমরা সমাধান করবো। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিকে তাদের ভবিষ্যত্ রাজনীতির কথা চিন্তা করে সামনের দিকে আগানো উচিত। ক্ষমতায় টিকে থাকা বা ক্ষমতায় যাবার জন্য সহিংস যে কোন পথ সবার জন্য খারাপ। এতে করে প্রধান দুটি দলেরই ক্ষতি হবে। তবে আমার কথা হচ্ছে, রাজনীতিতে পক্ষ-প্রতিপক্ষ থাকবে। তাই এই রাজনীতি নিয়ে ১/১১’র মত ব্যর্থ সরকারকে আনার জন্য তথাকথিত তৃতীয় পক্ষকে সুবিধাবাদীরা ডেকে আনবে তা মানা যায় না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধী দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার উচিত হবে দেশে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতির পথ তৈরি করে ১/১১-কে আসতে না দেয়া। অরুনদ্যুতি পাল মাষ্টার্স (সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কথিত বুদ্ধিজীবীরা ১/১১ আনার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন, তাই দুটি দলেরই সাবধান হওয়া উচিত সরকারের উচিত হবে সকল প্রকার দমন-পীড়ন থেকে দূরে থাকা। আর বিরোধী দলের উচিত হবে বিরোধিতার নামে ভাংচুর বা শুধুই হরতাল ডেকে জনগণের ক্ষতি না করা। কিন্তু আমরা কি দেখতে পাচ্ছি, আমারা দেখছি, ক্ষমতার মোহে দুটি দলই একে অপরকে সহ্য করতে পারে না। দুর্নীতি সকল দলকেই গ্রাস করে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যে নির্বাচন, সে আইন উচ্চ আদলত থেকে বাতিল হবার পর বিরোধী দলের সমস্যা হয়েছে। তাদের ধারণা, এভাবে তারা ক্ষমতায় যেতে পারবে না। জনগণ যদি তাদের চায়, কোন অবস্থাতেই তাদের কেউ আটকাতে পারবে না। তাই এ নিয়ে আন্দোলনের চেয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত। না হলে দেশে কখন কি হয়, তা বলা যায় না। কথিত বুদ্ধিজীবীরা ১/১১ আনার জন্য যেভাবে উঠে পড়ে লেগেছেন তা হয়তো হতেও পারে। তাই দুটি দলেরই সাবধান হওয়া উচিত। ফারজানা ইয়াসমিন (আঁকি) দ্বিতীয় বর্ষ সম্মান (বাংলা) গৌরীপুর কলেজ, ময়মনসিংহ প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের উচিত হবে নিজেদের সমস্যা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমাধান করা দেশে এখন শুধু ধমকের রাজনীতি চলছে। একজন আর একজনকে ধমক দিয়ে কথা বলছেন। সরকার উত্খাতের কথা বলা হচ্ছে একদিকে, অপরদিকে ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছাও ব্যক্ত করা হচ্ছে। বলতে গেলে বলা যায়, দেশে দুটি রাজনৈতিক ধারা চলছে। এর যাঁতাকলে পড়ে জনগণের অবস্থা কাহিল। আন্দোলনের নামে সামনে কি হবে তা নিয়ে সকলেই চিন্তিত। বর্তমান সরকার দেশের যথেষ্ট উন্নয়ন করলেও জনগণের কাছে তা পৌঁছে দেবার মত নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে থাকলে তারা সেটি করেননি এবং এখনো করছেন না। তারা তাদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। বিরোধী দলও শুধু নেতিবাচক কথা বলে রাজনীতিকে কলুষিত করছেন। তাই এ অবস্থায় প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের উচিত হবে নিজেদের সমস্যা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমাধান করা। এতে করে দুটি দলসহ জনগণের লাভ হবে। সুযোগ সন্ধানীরা ব্যর্থ হবে। দেশ স্বাধীন হয়েছে ৪২ বছর। কিন্তু এখনো কেন আমরা দেশে একটি সুন্দর নির্বাচনী সিস্টেম চালু করতে পারছি না। প্রধান দুটি দল যদি মনে করে ক্ষমতায় থাকবো না বা ক্ষমতায় যাবো না, তাহলেই সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করি। এতে করে দেশে নির্বাচনের একটি সুষ্ঠু ধারা তৈরি হবে এবং ১/১১ আসবে না। বিপাশা দত্ত দ্বিতীয় বর্ষ (সন্মান), রসায়ন নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, নেত্রকোনা সমঝোতাই শান্তি ও সমৃদ্ধি, আশা করি দুটো দলই তা মনে রাখবে সরকার এবং বিরোধী দলকে অবশ্যই একটি সমঝোতায় আসতে হবে। কারণ, আমরা যারা সাধারণ জনগণ তারা কোন সংঘাত চাই না। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। দুটি দলের কাছে জিম্মি হতে চাই না। দুটি দলের প্রধানকে ভাবতে হবে, সকল ক্ষমতার উত্স জনগণ। জনগণ যদি তাদের ভোট না দেয়, তাহলে তারা ক্ষমতায় থাকতে যেমন পারবেন না, তেমনি ক্ষমতায় যাবারও কোন সুযোগ নেই। এই সুযোগে ১/১১ আসলে তাদের বলারও কিছু থাকবে না। আমি মনে করি, ১/১১ সরকার মোটেই ভালো নয়। তারাও এক সময় নানান ধরনের বাজে কাজে জড়িয়ে পড়েন। নানান অভিযোগ হয়। তাই প্রধান দুটি দলকে সতর্ক থেকে সমঝোতার মাধ্যমে আগামী সংসদ নির্বাচনে যেতে হবে। সমঝোতই শান্তি ও সমৃদ্ধি। আশা করি দুটো দলই তা মনে রাখবেন। এসএম নোমান তৃতীয় বর্ষ (সন্মান), হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, নেত্রকোনা অনুলেখন :শ্যামলেন্দু পাল