বংশালে সন্দেহভাজন দুই হুন্ডি ব্যবসায়ী ও চার পুলিশ আটক

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৩, ২১:৪৪
পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার থেকে ৩০ লাখ টাকাসহ সন্দেহভাজন দুই হুন্ডি ব্যবসায়ী ও চার পুলিশ সদস্যকে জনতা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। হুন্ডি ব্যবসায়ীরা হলেন চাঁন মিয়া (৪০) ও আমান (৩৭)। আটককৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন ক্যান্টনমেন্ট থানার এসআই আব্দুল কাইয়ুম ও তিন কনস্টেবল। পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার হারুনুর রশিদ বলেন, উদ্ধারকৃত ৩০ লাখ টাকা হুন্ডির কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে। এছাড়া ঐ চার পুলিশ সদস্য কেন ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকা থেকে সাদা পোশাকে কোতোয়ালী থানা এলাকায় এসেছিলেন তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বংশাল থানার ওসি আব্দুল কুদ্দুস ফকির স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বলেন, ক্যান্টনমেন্ট থানার সিভিল টিম এসআই কাইয়ুমের নেতৃত্বে চারজন পুলিশ সদস্য শনিবার সকালে তাঁতীবাজার এলাকায় ঐ দুই ব্যক্তিকে আটক করে। এ সময় ঐ দুই ব্যক্তি চিত্কার দিলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। দুই ব্যক্তি ঐ চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করলে জনতা তাদের পরিচয় জানতে চায়। এ সময় ঐ চার পুলিশ সদস্য নিজেদের ক্যান্টনমেন্ট থানার সিভিল টিমের সদস্য বলে পরিচয় দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের আটক করে বংশাল থানায় নিয়ে আসে। দুই ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার করা একটি ব্যাগে তল্লাশি করে ৩০ লাখ টাকা পাওয়া যায়। ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি সালেহ উদ্দিন জানান, এসআই আব্দুল কাইয়ুম তার থানার সিভিল টিমের সদস্য। শনিবার সকালে ঐ টিম তার কাছে জানায় যে, পুরান ঢাকায় একটি মাদক মামলার আসামিকে গ্রেফতার করতে যাবে। তিনি তাদের ঐ অভিযানে যাওয়ার অনুমতিও দেন। কিন্তু পরে তাঁতীবাজার এলাকায় ঐ সিভিল টিম দুই ব্যক্তিকে আটক করার সঙ্গে মাদক মামলার আসামি গ্রেফতারের কোন মিল নেই। এ কারণেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোতোয়ালী থানার ওসি শাহ আলম জানান, বংশাল থানা থেকে আটককৃতদের কোতোয়ালী থানায় পাঠানোর পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখনও বোঝা যাচ্ছে না যে, তারা দোষী না পরিস্থিতির শিকার। ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।