আগাম সীম চাষে দারিদ্র্য জয় করেছেন মহাদেবপুরে ২ হাজার প্রান্তিক কৃষক। এসব প্রান্তিক চাষীর প্রচেষ্টায় মৌসুমের আগেই শীতকালীন সীম ভরা মৌসুমের আগেই বাজারে এসেছে। নতুন সীমের চাহিদা বেশি থাকায় ৬০ থেকে ৮০ টাকা খুচরা বিক্রি হচ্ছে সীম।
কয়েক বছর আগেও বাড়ির আঙ্গিনার জমিতে পরিবারের চাহিদা মেটাতে চাষ হতো সীম। সময়ের ব্যবধানে সেই সীম এখন লাভজনক। উপজেলার ঝাঁড়গ্রাম, লক্ষ্মীপুর, ভালাইন, দোহালী, শিবরামপুর, এনায়েতপুর, রামচন্দ্রপুর, চককন্দর্পপুর, লক্ষীপুর, ডিমজাউন, নাটশাল, গোপালপুর প্রভৃতি গ্রামের মাঠে এখন সবুজ সীমের সমারোহ।
কৃষি বিভাগের পরামর্শে সীমের ছত্রাক ও পোকামাকড় দমন হওযায় ভালো ফলন হচ্ছে। দাম ভালো হওযায় জমি থেকেই নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাটসহ বিভিন্ন জেলার পাইকাররা সীম কিনে রা্জধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যাচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে এবার ১ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে সীমসহ শীতকালিন অন্যান্য সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
