নিজ ভূমিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালানোয় ওয়াশিংটনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আলি জেইদান। শনিবার আফ্রিকার লিবিয়া ও সোমালিয়ায় ইসলামি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে দুটি আলাদা অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী নেভি সিল। লিবিয়ার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ডোরা আল কায়েদার অন্যতম শীর্ষ নেতা আনাস আল লিবিকে আটক করে। ১৯৯৮ সালে পূর্ব আফ্রিকায় যুক্তরাষ্ট্রের দুটি দূতাবাসে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে লিবিকে ধরার চেষ্টায় ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে জেইদান বলেছেন, ‘লিবিয়ার যে কোনো নাগরিকের বিচার লিবিয়ার ভিতরে করার বিষয়ে লিবীয় সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, তার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আছে তা কোনো বিষয় নয়, বিষয় হচ্ছে প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত সব অভিযুক্তই নিরপরাধ।’
লিবীয় সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্র সরকার যে লিবিয়ান নাগরিককে ধরতে চাচ্ছিল তার বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদ অনুসরণ করছে লিবীয় সরকার। জানার পর থেকেই আমরা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি এবং এ বিষয়ে তাদের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছি।”সিএনএন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তারা উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, লিবীয় সরকারকে জানিয়েই অভিযান চালানো হয়েছিল। ওদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি লিবিকে “বৈধ লক্ষ্য” বলে অভিহিত করেছেন। লিবিকে আদালতের মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন কেরি।
