শহরের মিলপাড়ায় ঐতিহ্যবাহী বন্ধ মোহিনী মিলটি লিকুইডেশন সেল ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অসাধু কিছু কর্মকর্তা মিলের প্রাক্তন মালিকের সাথে আঁতাত করে চার’শ কোটি টাকা মূল্যমানের মাত্র ৪৮ কোটি টাকায় এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি ও মিলটি হস্তান্তর করার চুড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এ ঘটনায় মিলের শত শত শ্রমিক-কর্মচারী, মিল রক্ষা সংগ্রাম কমিটিসহ এলাকার বিক্ষুব্ধ মানুষ ফুঁসে উঠেছে। পরে এলাকাবাসীর পক্ষে গোলাম মোস্তফা আদালতে রীট করেন। এর প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ডিভিশনের গঠিত বেঞ্চের বিচারক বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ. বি. এম আলতাফ হোসেন শুনানি শেষে মোহিনী মিল সংক্রান্ত বিষয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের চলমান ওই কার্যক্রমের উপর ৩০ সেপ্টেম্বর রুলনিশি জারি করেন।
