চৌমুহনীতে দীর্ঘদিন বড় দুই দলের কাউন্সিল হয়নি

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৩, ২১:৪৪
বিএনপি‘র দুর্গ খ্যাত বেগমগঞ্জে দলীয় কিছু গ্রুপিং থাকলেও মূলত বিএনপির সব গ্রুপ দলীয় কর্মকাণ্ড ও জাতীয় ইস্যুতে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সিদ্ধহস্ত। অপরদিকে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দল সর্বক্ষণ চলতে থাকায় এক গ্রুপ অপর গ্রুপকে কোণঠাসা করতে বদ্ধপরিকর। ফলে বেগমগঞ্জে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে খুব শক্তিশালী না হলেও ফল নিজেদের পক্ষে আসে। আওয়ামী লীগে ১০ বছর, বিএনপির ২০ বছর উপজেলা কাউন্সিল না হওয়ায় দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে মন্দা ভাব বিরাজ করছে। বেগমগঞ্জের ১৬টি ইউনিয়ন ও চৌমুহনী পৌরসভা নিয়ে নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) গঠিত হয়েছে। এ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দল ও এক গ্রুপ অপর গ্রুপকে নির্বাচিত না হওয়ার জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। এর ফলে ১৯৭৩ সনের পর থেকে এ পর্যন্ত উক্ত আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিজয়ী হয়নি। দু‘একবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা দেখা দিলেও কোন্দলের কারণে জিততে পারেনি। ২০০৯ সালে স্থানীয় সংসদ সদস্য বরকত উল্যা বুলুর বাড়িতে উপজেলা ও চৌমুহনী পৌরসভার নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় উপজেলা ও চৌমুহনী পৌরসভার কমিটি ঘোষণা করলেও এ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থানীয় এক নেতা জানান, ১৯৯৩ সালের পর থেকে বেগমগঞ্জে বিএনপি‘র কোন সম্মেলন হয়নি। ২০০৯ সালে স্থানীয় সংসদ সদস্যের বাড়িতে একটি বর্ধিত সভায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নাম ঘোষণা করা হয়। ২০০৩ সালে বেগমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হওয়ার পর এ পর্যন্ত সম্মেলন হয়নি। একইভাবে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সম্মেলনও ১৫ বছর যাবত্ হয় না। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডাঃ এ বি এম জাফর উল্যার ভাই এ টি এম এনায়েত উল্যা এবং সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ কিরণ নিজে মাঠে নেমে পড়েছে। এনিয়ে নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছে।