কবিতা লিখতে কী লাগে? ভাব লাগে। শব্দ লাগে। বাক্য লাগে। পাঠ লাগে। লাগে একটি জীবনব্যাপী প্রস্তুতি। লাগে লিখিত ভাষা (অন্তত আধুনিক কবিতা প্রশ্নে এ কথা সত্য)। তারপর লাগে কাগজ-কলম-ছাপাখানা। এখন অবশ্য অনলাইনে কবিতা বা যেকোনো টেক্সটই আপলোড/পোস্ট দেওয়া যায়। ব্লগে লেখালেখি করা যায়। তারপর সে কবিতা মুহূর্তেই পৌঁছে যায় হাজার হাজার পাঠকের সামনে, আন্তর্জালের মাধ্যমে। তবে কবিতা লিখতে, সরাসরি কোনো প্রযুক্তি বা ফিনান্সিয়াল সাপোর্ট দরকার হয় না। কিংবা খুব কম অর্থই খরচ হয় কবিতাকে পাঠকের সামনে নিয়ে যেতে। কবিতার সম্প্রচার ও সম্প্রসারণ সাধারণত এরকমই, দেশে দেশে। আরেকটি কথা, কবিতার বয়স কত বছর, তা আজও সঠিকভাবে নির্ণীত নয়। একেক দেশে, একেক ভাষায় সেই ভাষার কবিতার বয়স ভিন্ন ভিন্ন। লিখিত বাংলা কবিতার বয়স হাজার বছর ছাড়িয়ে এখন হয়তো সাড়ে এগারো-শ বছরে পড়েছে। এর সামান্য কমবেশি হতে পারে।
এবার ছবি প্রসঙ্গে বলি। ছবি বলতে চিত্রকলা, ছবি বলতে আলোকচিত্র। একদিন আলোকচিত্রেরই বিকশিত গতিময় ধারা থেকে চলচ্চিত্রের শুরু। চলচ্চিত্রও ছবি। সিনেমা। ছায়াচিত্র। ছবি বানাতে কী কী লাগে?
চলচ্চিত্র বা সিনেমা আধুনিক প্রযুক্তিসম্মত একটি মাধ্যম। মাত্র শতবর্ষের পরে দেড়দশক পাড়ি দিল চলচ্চিত্র। শিল্পকলার সব শাখাই এসে কেন্দ্রীভূত হয়ে উঠেছে চলচ্চিত্রে। গল্প-কাহিনি, সংলাপ-নাটকীয়তা, আখ্যান-মাধুরী, সংগীত-শব্দ, অভিনয়সহ বহুরকমের কারিগরি ব্যবস্থাপনা লাগে সিনেমা নির্মাণে। লাগে স্বপ্ন, পরিশ্রম। ছবি বানাতে লাগে প্রযুক্তি, বড়সড় পুঁজি। লাগে বহু লোকবল। তারপর সেই ছবিটা যারা দেখবে, তখনো লাগে পুঁজি-প্রযুক্তি-থিয়েটার হল ব্যবস্থাপনা। তাহলে, একজন কবি যখন কবিতা লেখেন, তখন তার এক দশা। কবিই যখন সিনেমা বানান, তখন তার দশাটা কীরকম? দরজার খিল এঁটে দিয়ে যে কবি কবিতা লেখেন একাকী, তিনি যখন ছবি বানান তখন আর তিনি একা নন। অন্তত নির্মাণকালীন বাস্তবতায় তিনি কবি হয়ে একা থাকতে পারেন না। নির্ঝঞ্ঝাট কবিজীবন নৈঃসঙ্গে সুন্দর কিন্তু ছবি নির্মাতার জীবন মানেই তাকে অনেক মানুষ, অনেক অর্থকড়ি ম্যানেজমেন্টে যেতে হবে, অন্তত আমাদের দেশের মতো দেশে তো বটেই। তারপর অনেক প্রলয়, অনেক প্লাবন পেরিয়ে ছবি নির্মাণ শেষ হয়।
‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ শেষ হয়েছে। দুই ঘণ্টা আঠারো মিনিট দৈর্ঘ্যের এই ছবির নির্মাতা কবি মাসুদ পথিককে শারদীয় শুভেচ্ছা—ছবিটি আমাদের দেখাবার জন্য। কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতা থেকেই ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ গল্প হয়ে, কবি মাসুদ পথিকের স্বপ্নে-পরিশ্রমে-নির্মাণে ছবি হয়ে প্রদর্শিত হলো পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে, সাত অক্টোবর সন্ধ্যায়। নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ-এর প্রথম প্রদর্শনীর দর্শক
হিসেবে হলভরতি দর্শকের মতো আমিও আনন্দিত। আমি ‘ব্রাত্য ফিল্মস’ প্রযোজিত নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ ছবির নির্মাতাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এই ছবি খুব শিগগিরই দেশের আপামর সিনেমা দর্শক দেখতে পাবে প্রেক্ষাগৃহে বসে—তেমনটিই আমি আশা করি।
সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ছবি প্রসঙ্গে কিছু কথা আমার জ্ঞানেও নতুন। ‘বিষয়টি কেমন’ তা ইতোমধ্যেই আমার অভিজ্ঞতায় এসে গেছে। সে প্রসঙ্গে দু-চার কথা বলেই আমি বলব নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ ছবিটি প্রসঙ্গে, তবে খুব সংক্ষিপ্তভাবে। কারণ, লেখবার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ফলে, এই রচনা একান্তই তাত্ক্ষণিকতাস্পৃষ্ট মানতে হবে। ‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ বা ‘এমিলিনের গোয়েন্দা বাহিনী’ সরকারি অনুদানে নির্মিত ছবি। শেখ নিয়ামত আলী, মশিউদ্দিন শাকের, বাদল রহমান ছাড়াও আরও বেশকিছু নির্মাতা অনুদানের ছবি করেছেন, তার মধ্যে উল্লেখ করতেই হবে সালাউদ্দিন জাকী, হুমায়ূন আহমেদ, মোরশেদুল ইসলাম, কাজী মোরশেদসহ বেশ কয়েকজনের নাম। মেইনস্ট্রিম ইনডাস্ট্রির বেশকিছু নির্মাতাও সরকারি অনুদানে ছবি বানিয়েছেন। অত্যন্ত কঠোর-কঠিন প্রতিযোগিতা হয় অনুদানপ্রাপ্তির জন্য। চিত্রনাট্য ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্র দিয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর প্রতিযোগিতায় বাছবিচার সম্পন্ন হয়। কাজেই, যে চিত্রনাট্য বাছবিচারে টিকে গেল বা অনুদান পেল, সেই চিত্রনাট্য ভালো মানসম্পন্ন হয়েছে— শক্তিশালী বিচারক বোর্ডের বুনিয়াদে এমনটি ধরে নেয়া যায়। কিন্তু লক্ষণীয়, অনুদানপ্রাপ্ত অনেক চিত্রনাট্যই নির্মিত হয়ে উঠতে পারেনি। কোনো কোনোটার নির্মাণ শুরু হয়েও শেষ হয়নি। যে সীমিত অর্থ মন্ত্রণালয় প্রদান করে থাকে, তা চলতি বাজারে একটি ছবি সম্পূর্ণ হতে সাহায্য করে বটে, কিন্তু প্রায়সময়ই শুধু অনুদানের টাকাতে ছবি হয় না। ছবির বাজেটের অর্ধেক হয় কখনো, কখনো হয় বাজেটের এক-তৃতীয়াংশ। এছাড়াও, অনুদানপ্রাপ্তির অর্থ এককালীন না পাওয়াটাও ছবি নির্মাণের শুরুতে খুব সহায়তা করতে পারে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। তবে নির্মাতার বাকি অর্থের সঙ্গে অনুদানপ্রাপ্তির অর্থ যোগ হয়ে ছবি নির্মাণে সদর্থক ভূমিকা রাখে, তা সত্য। সবচেয়ে বড় যে বিষয়, অনুদানের প্রতিযোগিতা হয় জাতীয়ভিত্তিক। সেখানে চিত্রনাট্য উত্তীর্ণ হওয়াটা বা অনুদানপ্রাপ্তিটাই সম্মানের ব্যাপার। মাসুদ পথিক কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতা অবলম্বনে চিত্রনাট্য প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। কবিতা থেকে চিত্রনাট্য ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ এখন ছবি। সমস্ত সীমাবদ্ধতা, প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে কবি মাসুদ পথিক এখন চলচ্চিত্র নির্মাতা মাসুদ পথিক। দুজন সুহূদ ও নিজের পয়সায় ৯৭ মিনিটের ‘ব্ল্যাকআউট’ বানাবার পর আমার দ্বিতীয় ছবি ‘কাঁটা’র কাজ চলছে। চিত্রনাট্য প্রযোজনা ও পরিচালনা আমার। ‘কাঁটা’ গল্পের লেখক শহীদুল জহির। ‘কাঁটা’ও অনুদানপ্রাপ্ত চিত্রনাট্য। গ্রীষ্মের রুদ্রদিনে আমি ‘কাঁটা’ দর্শকের সামনে উপস্থাপন করতে পারব, কাজ সেভাবেই এগোচ্ছে।
নির্মলেন্দু গুণ। আপাদমস্তক কবির জীবন যাপন করে যাচ্ছেন। মাসুদ পথিকও কবি। গুণ দা, মাসুদ পথিকসহ আমরা কয়েকজন বেশ কয়েক বছর যাবত্ প্রায়ই সন্ধ্যায় আড্ডা দিই হাতিরপুল এলাকায়। ফুটপাতে, চায়ের দোকানে বসে আড্ডা। আড্ডায় কবিতা নিয়েই বরং কথা হয় কম, কথা বেশি চলে রাজনীতি, দেশ-বিশ্ব, ইতিহাস থেকে ঘুরেফিরে চলচ্চিত্র। হাতিরপুল-পরীবাগ-খালার দোকান-শাহবাগ—এই ছোট্ট বৃত্তে আমরা বন্দিপ্রায়। বন্দি আমরা তর্ক-ঝগড়া-ভালোবাসায়। আন্দালুসিয়ান জলদস্যুদের প্রতিনিধি কবি ও চলচ্চিত্রকার দিলদার হোসেন আড্ডার লিড ভোকাল বেশিরভাগ সন্ধ্যায়, প্রফেসর মনিস রফিক আড্ডার সদস্য হলেও বর্তমানে কানাডা প্রবাসী, রস-কমরেড কবি উদাস আব্দুল্লাহ বা বাকি ভাই, স্বাপ্নিক এডিটর ওমর শরীফের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, মাঝেমধ্যে কবি অসীম সাহাও লিড নেন সন্ধ্যার। কবিতা-চলচ্চিত্র নিয়ে কবি মাসুদ পথিক তার উপস্থিতি বজায় রাখেন। নেকাব্বরের নাম ভূমিকায় অভিনেতা জুয়েলও আড্ডার বিনয়ী সদস্য।
আড্ডায় নির্মলেন্দু গুণ প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন নির্মলেন্দু গুণের। গায়ক সাহেদ ভাইও মাথায় গামছা বেঁধে উপস্থিত। আমিও আছি। চলছে। আমাদের এই আড্ডার সদস্য মাসুদ পথিকের ছবি নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ নির্মাণ শেষ হলো। ফলে এটা মাসুদ পথিকের পাশাপাশি এই ফুটপাত আড্ডার সদস্যদেরও আনন্দের বিষয়, অর্জনের বিষয়। ভালোমন্দ দায়ভার নেবার বিষয়। কী বলেন কনফেডারেশন বডির মেম্বার দিলদার হোসেন, মনিস রফিক?
স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে নেকাব্বর গ্রামীণ যুবক। ভিটে একটু আছে বটে, তবে ভূমিহীন, পিতা-মাতাহীন। ভূমির মালিক জোতদার। নেকাব্বরসহ অন্য ভূমিহীনেরা জোতদারের ভূমিতে বর্গা চাষ করে। তিনভাগের দুই ভাগ পায় জোতদার। যারা কি না শ্রমে-ঘামে উত্পাদন করে, সেই নেকাব্বররা পায় একভাগ। তারপরও এই গ্রামীণ মানুষেরা বেঁচে থাকবার আশায় সব সয়ে যায়। নেকাব্বর ভালোবাসে ফাতুকে। ফাতেমাকে। নেকাব্বর ভালোবাসে প্রকৃতিকে। প্রকৃতির সংসারে কত যে সদস্য! গাছ-পিঁপড়া-পাখি-মশা-কুকুর-গরু-সাপ-ফড়িং-প্রজাপতি। নেকাব্বর প্রকৃতির আরেক সন্তান। তারুণ্যে নেকাব্বর যেমন প্রেমিক, তেমনি প্রতিবাদীও। অন্যায়কে সে মেনে নিতে পারে না। গ্রামের ভূমির মালিক মহাজন-জোতদারের অন্যায়ে সে মাথা নত করে না। ফলস্বরূপ, তাকে গ্রামছাড়া হতে হয়। এরই মধ্যে আসে মুক্তিযুদ্ধ। যুদ্ধ যেন সবকিছু বিলীন করে দিয়ে যায়। যুদ্ধ নেকাব্বরের একটি পা ও তার স্বাভাবিক জীবন কেড়ে নেয়। ফাতেমার সঙ্গেও আর তার দেখা হয় না। যুদ্ধের পর যুদ্ধের আগের জীবন যেন হারিয়ে যায় নেকাব্বরের, তাদের। প্রায় চার দশক পর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতি-স্মারক ‘শিখা অনির্বাণ’-এর পাশে কবি নির্মলেন্দু গুণের সঙ্গে দেখা হয় এক পঙ্গু ভিখারির। সেই ভিখারিই হচ্ছেন সেদিনের প্রতিবাদী প্রেমিক যুবক নেকাব্বর, মুক্তিযোদ্ধা নেকাব্বর। কবি নির্মলেন্দু গুণ তাঁর কবিতায় চিত্রিত চরিত্র নেকাব্বরকে তার হারানো জীবন ফিরিয়ে দিতে পারেন না। নেকাব্বর ফিরে যান তার সেই গ্রামে। যেখানে একদিন তার ভিটা ছিল। উঠানে মায়ের কবর ছিল। কবরের ওপরের মাটিতে জন্মানো লেবু গাছটি ছিল। অনন্ত শৈশব ছিল। সবুজ মাঠ ছিল। ফাতেমা ছিল। স্বপ্ন ছিল, প্রেম ছিল। জীবনের হাতছানি ছিল। এখন কিছুই নেই। নিজের জীবনই নেকাব্বরের কাছে হয়ে ওঠে পাগলের জীবন, আপাঙেক্তয় জীবন, অনাহারী জীবন। একদিন নেকাব্বর মরে পড়ে থাকে গ্রামের পাশের রেলস্টেশনে। তাকে দেখে উত্সুক জনতা জড়ো হয়। গোল হয়ে তাকিয়ে দেখতে থাকে বৃদ্ধ-শীর্ণ-পরিত্যক্ত মৃত নেকাব্বরকে। কবি নির্মলেন্দু গুণও নেকাব্বরের মৃতদেহ দেখে শোকার্ত হয়ে ওঠেন। তিনি রেললাইনের প্লাটফরমে বসেন এবং তাঁর চোখ ফেটে বেরিয়ে আসে অশ্রুধারা। নির্মলেন্দু গুণের চোখের অশ্রুধারাই নেকাব্বর নামক পরাজিত-লাঞ্ছিত মুক্তিযোদ্ধার নির্মম জীবনগাঁথা। কী পেয়েছে নেকাব্বর, জীবনের কাছে? মুক্তিযোদ্ধা হয়েও, নেকাব্বর কী পেয়েছে তার স্বাধীন দেশের কাছে?
স্বচরিত্রে অভিনয় করেছেন কবি নির্মলেন্দু গুণ। নেকাব্বর চরিত্রে তরুণ অভিনেতা জুয়েল এবং বৃদ্ধ নেকাব্বর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাদল শহীদ। ফাতেমার চরিত্রে অভিনেত্রী শিমলা চমত্কার অভিনয় করেছেন। জুয়েল এবং বাদল শহীদও অভিনেতা হিসেবে প্রথমত পরীক্ষা দিয়েছেন ডিরেক্টর মাসুদ পথিকের কাছে, সর্বোপরি আপামর দর্শকের কাছে। আমাদের কাছে।
প্রধানত গ্রাম-বাংলার নিবিড় চিত্রায়ণে চিত্রিত হয়েছে নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ। মুসলিম পাড়ার বাচ্চাদের মুসলমানি দেওয়া ও গ্রামীণ পদ্ধতিতে ষাঁড়-গাইগরুর প্রজনন প্রক্রিয়া—এই দুটি অনুষঙ্গের চিত্রায়ণ এই ছবির এমন দুটি দৃশ্য, যা তুলে ধরে মাসুদ পথিক ধন্যবাদযোগ্য কাজ করেছেন। ধন্যবাদ পাবেন আরও অনেক দৃশ্যের জন্য, সর্বোপরি একটি কবিতা থেকে একটি রাজনৈতিক-সামাজিক দলিল নির্মাণের জন্য। আমি চলচ্চিত্রকার মাসুদ পথিককে একজন সহযোদ্ধা হিসেবে আমার ভালোবাসা জানাই। অভিনন্দন জানাই।
নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ ছবির অপূর্ণতা কোথায়, দুর্বলতা কোথায় কোথায়, নিশ্চিত ত্রুটি কোথায় কোথায়, কী করলে সেসব বিচ্যুতি রোধ করা যেত—সর্বোপরি না-পারাটা কতটুকু তা নিশ্চয়ই বলবেন ছবির সমালোচক-বোদ্ধাগণ। বাংলাদেশ গ্রামপ্রধান দেশ। এই ছবি গ্রামজীবনের ছবি। প্রকৃতিবাদের ছবি। লড়াই-সংগ্রাম-প্রেমের ছবি। দর্শক ছবিটি দেখুক—এখন এটাই আমার চাওয়া।
