মু খো মু খি

ঈদ অনুষ্ঠান নিয়ে একটা সুষ্ঠু নীতিমালা প্রয়োজন

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০১৩, ২০:৩৮
প্রতি বছরের মতো এবারের ঈদেও তারকাদের নিয়ে ব্যতিক্রমী রম্য বিতর্ক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। সারা বছরব্যাপী তরুণদের নিয়ে বিতর্ক অনুষ্ঠানের মতো জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো সঞ্চালনার পাশাপাশি ঈদ অনুষ্ঠান নিয়ে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিন-এর সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন সুহূদ সুফিয়ান প্রতি ঈদেই কেন হঠাত্ তারকাদের নিয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠান নির্মাণ করেন? কেন নিয়মিত নয়? না নিয়মিত হয়তো পারব না। কারণ তারকাদের শিডিউল ও তাদের বিষয় বুঝিয়ে নিয়মিত অনুষ্ঠান করাটা অনেক কঠিন। এটা আমার বিশেষ কাজ। তাই এটি বিশেষভাবেই বছরে একবার বা দুবার নির্মাণ করতে চাই। এবারের ঈদ আনন্দ ডট কমের বিশেষত্ব কী? এবারে আঙ্গিকটা পরিবর্তন করেছি। যেমন প্রতি পর্বে বিভিন্ন ধারার তারকাদের একটা সমন্বয় রেখে কমন একটা বিষয় রাখা হতো। এবারের তারকা বিতর্কের বিষয়টি পরিবর্তন করা হয়েছে। যেমন চলচ্চিত্র ও সংসার নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বিতর্কে অংশ নিয়েছেন অনন্ত ও বর্ষা। বেশ কিছু মজার বিষয় এখানে উঠে এসেছে। তেমনি গানের বর্তমানে হাল নিয়ে কথা বলেছেন কুমার বিশ্বজিত্ ও কনক চাঁপা। অনুষ্ঠানটির সেগমেন্ট ভাগ করার কারণে দর্শকেরা বাড়তি আনন্দ পাবেন বলে আমার বিশ্বাস। ঈদ অনুষ্ঠানমালায় এত অনুষ্ঠানের ভিড়ে দর্শকেরা বিভ্রান্ত হয় কী? আপনার মতামত শুনতে চাইছি। দেখুন এমন প্রশ্নের উত্তরে আমার মতামত হলো, দর্শকদের তো আমরাই বিভ্রান্ত করে দিচ্ছি। ঈদের অনুষ্ঠানকে টেনে লম্বা করে ৭ থেকে ৮ দিনে নিয়ে গিয়ে। আমার মনে হয় ঈদ অনুষ্ঠান নিয়ে একটা সুষ্ঠু নীতিমালা তৈরির প্রয়োজন আছে। কারণ দেখুন হানিফ সংকেত শুধু ঈদের জন্য একটি নাটক নির্মাণ করেন। সেই নাটক দেখার জন্য মানুষ সময় গুনে বসে থাকেন। ঈদ অনুষ্ঠানমালায় এভাবে সময় গুনে বসে থাকার দর্শক আপনি খুব কম পাবেন। কারণ এত এত একই টাইপের অনুষ্ঠানে দর্শকেরা বিভ্রান্ত হয়ে যায়। অন্য সময়ের চেয়ে বরং এ সময় অনেকে নাটক কম দেখে। হয়তো রিপিটে গিয়ে দেখার সুযোগ মেলে। তাই এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া উচিত। পৃথিবীর কোথাও এই নজির নেই।