কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিত্সা ব্যবস্থা খুবই নাজুক। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় তার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিকিত্সার সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলা যায়। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের ২৬তম এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ৪৫০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে চলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের কাজ। এখানে মাত্র তিনজন ডাক্তার ও একজন নার্স সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চিকিত্সা সেবা দিয়ে থাকেন। শুক্র ও শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে মেডিক্যাল সেন্টারও বন্ধ থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মাত্র এ্যাম্বুলেন্স রয়েছে যেটার সেবা পাওয়া এক রকম দুর্লভ বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন। এই এ্যাম্বুলেন্সের স্থায়ী কোন ড্রাইভার নেই। শিক্ষার্থীদেরকে এ্যাম্বুলেন্সের সুবিধা পেতে হলে করতে হয় অনেক দৌড়-ঝাপ।
বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারের প্রধান ডাক্তার ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘মেডিক্যাল সেন্টারে ডাক্তার বাড়ালে চিকিত্সা সেবা অনেক সহজ হবে। আর অবাসিক ডাক্তারের ব্যবস্থা করা জরুরি।’ চিকিত্সার এই দুরাবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোঃ মজিবুর রহমান মজুমদার কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।
