ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌবন্দরকে গত ২০০৫ সালে ‘আশুগঞ্জ অভ্যন্ত্মরীণ কন্টেইনার নৌবন্দর হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে।কিন্তু গত ৯ বছরেও এর উলেস্নখ্য যোগ্য কোন অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ করা হয়নি। তবে নদী বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩‘কোটি ব্যয়ে আশুগঞ্জ নদীবন্দরের জেটি ও সংযোগ সড়ক উন্নয়নের কাজ বর্তমান শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী মাসে যে কোন সময় সরকারের সংশিস্নষ্ট কর্তৃপড়্গ ইচ্ছে করলে উদ্ভোধন করতে পারে বলে জানান ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান।
বন্দরের জেটি ও সংযোগ সড়কেরর উন্নয়নের ফলে বন্দরের কার্যক্রমর কিছুটা গতিশীলতা বৃদ্বি পাবে এবং রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে জানান বন্দর সংশিস্নষ্টরা। এছাড়া বন্দরের অন্যান্য অবকাঠামো যেমন-প্রশাসনিক ভবন, ওয়্যারহা্উজ, পাকিং ইয়ার্ড ও নিরাপত্তা দেয়াল নির্মার্েণর কাজ দ্রম্নত শুরম্ন হবে। এদিকে ভারতীয় ঋণ সহায়তায় ‘আশুগঞ্জ অভ্যন্ত্মরীণ কন্টেইনার প্রকল্প‘র পরামর্শক নিয়োগ ও জমি অধিগ্রহনের বিষয়টি চুড়ান্ত্ম পর্যায়ে রয়েছে ।
জানা গেছে, সরকার দেশের নদীবন্দর উন্নয়নে এক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় আশুগঞ্জ নদীবন্দর উন্নয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬‘কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩‘কোটি টাকা ব্যয়ে নিমির্তি হচ্ছে আশুগঞ্জ বন্দরের আর.সি.সি জেটি ও সংযোগ সড়ক। ইতোমধে-ই নির্মাণ কাজ প্রায় ৯৫ ভাগ সমাপ্ত হয়েছে। চলতি মাসেই বাকী কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের অবশিষ্ট ৩‘কোটি টাকায় নির্মিত হবে ওয়্যার হাউজ, পার্কিং ইয়ার্ড ও নিরাপত্তা দেয়াল। এগুলি নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া সমাপ্ত এবং কাজ শুরম্ন না হলেও কিছু দিনের পর শুরম্ন হবে বলে জানান বিআইডাবিস্নও কর্তৃপড়্গ। জেটি ও সংযোগ সড়কের উন্নয়নের ফলে বন্দরের ব্যবসায়ীরা খুশি এবং তারা মনে করেন এতে বন্দরের কার্যক্রমের গতিশীলতা আসবে, বাড়বে সরকারের রাজস্ব আদায়। তবে বন্দর সংশিস্নষ্টরা আইসিটি (অভ্যন্ত্মরীণ কন্টেইনার) প্রকল্পের কাজও দ্রম্নত শুরম্ন হলে ভাল হতো বলে মনে করেন।
উলেস্নখ্য যে, ভারতের উত্তর-পুর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে কম খরচে ও স্বল্প সময়ে পণ্য পরিবহনের জন্য ভারতীয় ঋণ সহায়তায় আশুগঞ্জ নদীবন্দরে অভ্যন্ত্মরীণ কন্টেইনার স্থাপনের জন্য প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং ভুমি অধিগ্রহনের বিষয়টি প্রায় চুড়ান্ত্ম পর্যায়ে রয়েছে । আশুগঞ্জ অভ্যন্ত্মরীণ কন্টেইনার স্থাপন (আইসিটি) প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে- বন্দরে তিনটি আর্ন্ত্মজাতিক মানের টার্মিনাল জেটি, কাস্টমস্ অফিস, বিআইডবি¬উটিএ অফিস, বন্দর কর্তৃপক্ষের অফিস, কন্টেইনার টার্মিনাল, ক্রেন ইয়ার্ড, ওয়্যার হাউজ, ইলেকট্রিক সাবস্টেশন, ট্রাক ইয়ার্ড, রেস্ট হাউজসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ নতুন জেটি নির্মাণ।
