লোকবল সংকট নিয়ে বিজয়নগর উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম চলছে ভাড়া বাড়িতে। ফলে নানা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উপজেলাবাসী।
তিতাস পূর্বাঞ্চলের অবহেলিত ১০ ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল হিসেবে বর্তমান সরকারের আমলে নিকার১০৩ তম বৈঠকে বিজয়নগরকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১০ সালে ৩ আগস্ট তত্কালীন জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল মান্নান মির্জাপুর গ্রামে কুতুবুল আলমের বাড়িতে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় উদ্ধোধন করেন। উপজেলা প্রশাসনের কোন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে চলছে প্রশাসনের কার্যক্রম। উপজেলা চান্দুরা ইউনিয়ন অফিসে সমাজসেবা যুব উন্নয়ন মহিলা বিষয়ক মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পরিসংখ্যান কর্মকর্তার কার্যালয়। চান্দুরা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়। চান্দুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়। মীর্জাপুর এলাই মিয়ার বাড়িতে উপজেলা কৃষি ও ভূমি অফিস মজনু মিয়ার বাড়িতে থানা কার্যালয় । সুখেন্দু মালার বাড়িতে পিআইও প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়। আরিয়ল স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনসার ভিডিপি ও পল্লী উন্নয়ন অফিস। চম্পকনগর ইউনিয়ন অফিসে হাসপাতালের কার্যক্রম থাকলেও ৫ জন ডাক্তার পালা করে কার্যক্রম চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশীরুল হক ভূইয়া জানান, ২ জন সহকারী ও ৪ জন ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়ে উনার দপ্তর চলছে। এছাড়া বিভিন্ন অফিস গুলোর অবস্তান দূরে থাকায় কাজে সমন্বয় হচ্ছে না এতে স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তবে শীঘ্রই উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
