জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনিশ্চিত হলেও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঈদকে সামনে রেখে এসএমএস, ঈদ কার্ড, বিলবোর্ড ও পোস্টারিং করে গণসংযোগে আছেন।
১৯৭২ সালের পর থেকে এখানে আওয়ামী লীগের জয়লাভ করতে পারেনি। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যানসহ অনেকগুলো পদে আওয়ামী লীগ জয়ী হওয়ায় তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। এই সম্ভাবনাকে লক্ষ্য করে গণসংযোগে নেমেছেন লক্ষ্মীপুর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যন সফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা এম এ মমিন পাটোয়ারী, ধানমন্ডি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সফিক মাহমুদ পিন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোজাম্মেল হক মিলন, লক্ষ্মীপুর জেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদিকা সুরাইয়া আক্তার শিউলি।
জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা জাপার সভাপতি মাহমুদুর রহমান দলীয় মনোনয়নের লবিংয়ে আছেন। অপর দিকে ১৯৯১ সাল থেকে বিএনপি (৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্যতিত) ২০০৮ পর্যন্ত এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি দলীয় সংসদ নাজিমউদ্দিন আহম্মেদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন। ২০০১ সালে বিএনপির সরকারে দলীয় এমপি জিয়াউল হক জিয়া স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী হয়ে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেন। তিনি দল ও ব্যাক্তি ইমেজকে পুঁজি করে একাধারে ৩ বার নির্বাচিত হন। ১/১১ পরবর্তীতে বিদেশে চলে যাওয়ায় দলের হাল ধরেন বর্তমান সংসদ নাজিম উদ্দিন আহম্মদ। তিনি ২০০৮ সালে বিএনপির মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। বর্তমানে দু’-জনই বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। এছাড়াও ১৮ দলীয় জোট থেকে মনোনয়ন লাভের আশায় গণসংযোগে আছেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য ইমাম হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মনির হোসেন তফদার, অধ্যাপক ও কলামিষ্ট মো:শাহ আলম, হারুন অর রশিদ কমিশনার, রামগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি আবদুর রহিম, এলডিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত্ হোসেন সেলিম।
