নাগেশ্বরীতে করলা চাষে সচ্ছলতা এসেছে ৪৫ পরিবারে। উদ্বুদ্ধ কৃষকরা করলা চাষে ঝুঁকে পড়ায় এলাকাটি পরিচিতি পেয়েছে করলার গ্রাম হিসেবে। কিছুদিন আগেও উপজেলার সন্তোষপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম কুটি নাওডাঙ্গার কৃষকের প্রধান আবাদ ছিল ধান চাষ। উত্পাদন খরচ বেশি পরায় ক্রমান্বয়ে ধান চাষের পরিবর্তে ঝুঁকে পড়েছে করলা চাষে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে করলা চাষ। যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই করলার মাচা। ভোর হতেই সবজি ব্যবসায়ীরা এখানে করলা কিনতে আসে। সেগুলো উপজেলার হাট-বাজারে বিক্রির পাশাপাশি চলে যায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। মৌসুমে শুরুতে বিঘা প্রতি সপ্তাহে প্রায় ২০ মণ করলা উত্তোলন সম্ভব হলেও মৌসুমের শেষে সপ্তাহে উত্তোলিত হচ্ছে ৪-৫ মণ। শুরুতে ব্যাপক আমদানি থাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে মণ প্রতি ১৪০০ টাকায়। করলা চাষী আবু বকর সিদ্দিক জানান- এবারে ৪০ শতক জমিতে করলা চাষে ৩০ হাজার টাকা ব্যয় করে ৮০ টাকা উপার্জন করেছি। করলা তুলে ওই জমিতে পিঁয়াজ চাষের আগে অন্তত আরো ২০ হাজার উপার্জন করতে পারব। তার মত এ এলাকার ৪৫ কৃষক প্রতিজন ৫ শতক থেকে ৬০ শতক জমিতে করলা চাষ করে লাভবান হয়েছেন। সচ্ছলতা এসেছে তাদের সংসারে।
