কালাইয়ে ইউপি সদস্যের বাড়ির বাংকারে ৬ তরুণী

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৩, ২১:২৭
উপজেলার হারুঞ্জা গ্রামে রোববার রাতে এক ইউপি সদস্যের বাড়ির বাংকার থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৬ তরুণীকে উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। পুলিশ অভিযুক্ত ওই ইউপি সদস্যকে আটক করতে না পারলেও ঘটনার সাথে জড়িত তার কথিত ৪ স্ত্রীকে আটক করেছে। এ অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকার সচেতন মানুষ। জনপ্রতিনিধির মুখোশপরা প্রভাবশালী ওই ইউপি সদস্যর গ্রেফতারের দাবিতে সোচ্চার এলাকাবাসী। জানা গেছে, হারুঞ্জা গ্রামের প্রভাবশালী ইউপি সদস্য সেকেন্দার আলী দীর্ঘদিন ধরে দালালের মাধ্যমে অর্থ ও অন্যান্য প্রলোভনে সুন্দরী নারীদের সংগ্রহ করে তাদেরকে দিয়ে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা করিয়ে অল্প সময়ের ব্যবধানে কোটিপতি বনে গেছেন। শুধু তাই নয়, তার বিরুদ্ধে নারী পাচারের অভিযোগও রয়েছে। রোববার রাতে পুলিশী অভিযানে উদ্ধার হওয়া দেশের বিভিন্ন এলাকার ৬ সুন্দরীর জবানবন্দিতে এর সত্যতা স্পষ্ট হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুণীরা হলো— ঢাকার মতিঝিল এলাকার মুক্তি খাতুন নদী, রাজশাহীর বাঘমারার সাথী, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার মনোয়ারা খাতুন, জয়পুরহাট শহরের শিখা রানী, সদর উপজেলার নাজমা খাতুন ও ক্ষেতলাল উপজেলার শাপলা খাতুন। উদ্ধার হওয়া তরুণী নদী জানায়, এক খদ্দেরের সহযোগিতায় সে তার বাড়িতে মোবাইলের মাধ্যমে সব ঘটনা জানালে ডিবির ওসি মুনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশ সেকেন্দারের বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং রোববার রাত ৯টার দিকে তাকেসহ ৬ তরুণীকে উদ্ধার করে।